Tuesday, January 20, 2026
HomeScroll‘আশাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে’, প্ররোচনায় পা না দেওয়ার বার্তা চন্দ্রিমার
Asha Karmi

‘আশাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে’, প্ররোচনায় পা না দেওয়ার বার্তা চন্দ্রিমার

আশাকর্মীদের ভাতা দেওয়া হয়, লক্ষ্মীর ভান্ডার বা অন্যান্য সুবিধার থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়নি

ওয়েবডেস্ক- আশাকর্মীদের (Asha Karmi) পাশে রয়েছে রাজ্য সরকার (State Government), আজ এমনই বার্তা দিলেন চন্দ্রিমা ভর্টাচার্য (Chandrima Bhartacharya) । সাম্প্রতিক সময়ে ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আশা ও অঙ্গনওয়ারি কর্মীরা। আগামীকাল বুধবারও আশাকর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে পারেন। এই সংক্রান্ত খবর রয়েছে রাজ্য সরকারের কাছে। সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটা দাবি করে কর্মীদের একটি রাজনৈতিক দলের ফাঁদে পা না দেওয়ার পরামর্শ দিলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

এদিনের স্বাস্থ্য ভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন MOS চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। চন্দ্রিমা বলেন, আশা কর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দল তাদের ব্যবহার করছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা আশাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করছেন। ২০০৭ এই প্রকল্পের শুরু হয়েছে। এইভাবে আন্দোলন করে তাদের টাকা বাড়ানো যায় না। আশা কর্মীদের আবেদন করছি শান্ত থাকার। মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত বিষয়ে নজর রাখছেন ঠিক সময় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আশা কর্মীদের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার।

চন্দ্রিমা বলেন, আশা কর্মীদের এই প্রকল্প National Health Mission –এর অন্তর্গত। এই প্রকল্পে ৪,৫৪২ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকার এখনও দেয়নি রাজ্যকে। ফান্ড না এলেও আমরা আমাদের থেকে টাকা দিই। আমাদের রাজ্যে আশাকর্মীর সংখ্যা মোট ৭১৯৪৪ জন। শুধুমাত্র আমাদের রাজ্যেই আশা কর্মীদের জন্য রিটারমেন্ট বেনিফিট-এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬৫ বছরের পর রিটায়ার করলে ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। রাজ্য সরকারের উদ্যোগ। কেন্দ্র কিছুই করেনি। ২০০৮ সালে যখন আশাকর্মীদের এই প্রকল্পের প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং চালু হয় তখন সেই অঙ্ক ছিল ৮০০ টাকা।

আরও পড়ুন- ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে হেনস্থা! SIR শুনানিতে বিডিও অফিসে হুলুস্থুল

মুখ্যমন্ত্রী আশাকর্মীদের নিয়ে যে সব সময় ভাবনা চিন্তা করেন, সেই খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, তৃণমূল আসার পর মুখ্যমন্ত্রী নিজের কাঁধে রাখেন স্বাস্থ্য দফতর। আশা কর্মীদের টাকার বৃদ্ধি করা হয়েছে সময়। ২০১৩ সালে তে ১৫০০। ২০১৭-২০০০। ২০১৮- ৩০০০। ২০১৯- ৩৫০০।২০২০-৪৫০০| ২০২৪ সালে এ স্থায়ী ভাতা ৫২৫০ টাকা দেওয়া হয়। এখন অবধি মধ্যপ্রদেশ ৪০০০ এবং উত্তরপ্রদেশতে দেওয়া হয় ১৫০০। এর বাইরেও তারা ভাতা পান। ভাতা ৬০ শতাংশ কেন্দ্র দেওয়ার কথা আর ৪০% রাজ্য সরকার দেয়। আশা কর্মীরা মোট ১০ হাজার টাকার মত পান তার মধ্যে ৭২৫০ রাজ্য সরকার দেয়। কেন্দ্র যে টাকা দেওয়ার কথা তার মধ্যে রাজ্যকে সহযোগিতা করতে হয়। ২৩  ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন জেলায় তারা কর্ম বিরতি করছেন। আপনার অনেক ভালো কাজ করেন। তার কোনও তুলনা হয় না। কিন্তু কাজে জাতে কোনও প্রভাব না পরে সেটাও আপনাদের দেখা কর্তব্য। সবিনয় আবেদন করছি আমি। প্ররোচনায় পা দেবেন না। ২-৩ মাস আগে মোবাইল  ফোনের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। ১০০ কোটি টাকা খরচা হয়েছে। ৪২০০০ মোবাইল ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।

আশাকর্মীদের ভাতা দেওয়া হয় বলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বা অন্যান্য সুবিধার থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়নি। স্বাস্থ্য সাথী দেওয়া হয়। যে রাজনৈতিক দল এদের পিছনে রয়েছে তারা বোঝান। আশা কর্মীদের অনুরোধ করছি প্ররোচনা দেবেন না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নজর নজর রয়েছে। এই রাজনৈতিক দল আশা কর্মীদের ব্যবহার করার চেষ্টা করছে তাদের জানাচ্ছি আমরা কিন্তু সজাগ রয়েছি।

 

সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৯৭ কোটি টাকা রাজ্য পায়।

 

Read More

Latest News