ওয়েব ডেস্ক : রুজি রোজগারের জন্য ভিন রাজ্যে যাচ্ছিল ছত্তিশগড়ে (Chattisgarh) বাংলার তিন কিশোর। কিন্তু মাঝপথেই তাঁদেরকে ট্রেন থেকে নামানো অভিযোগ উঠল রেল পুলিশের তরফে। পরিবারের অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই ট্রেন থেকে নামিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, তিন কিশোরের মধ্যে রয়েছে কার্তিক দাস, রাকেশ দাস ও রতন দাস। এদের মধ্যে কার্তিক ও রতন নবম শ্রেমীর ছাত্র। সূত্রের খবর, মোট ন’জনের একটি দল শুক্রবার গুজরাটের (Gujrat) সুরাটে উদ্দেশে যাচ্ছিল। কিন্তু ছত্তিশগড়ে ট্রেন পৌঁছনোর পর রেল পুলিশ (Police) তিন কিশোরকে আলাদা করে নামানো হয় বলে অভিযোগ। তার পরেই তিন জনকে আটক করা হয়।
এই ঘটনায়, রাকেশের বাবা বাণেশ্বর দাস জানান, তাঁর ছেলে সহ ওই তিন কিশোর মাসখানেক আগেও সুরাটে কাজ করতে গিয়েছিল। প্রায় দু’সপ্তাহ আগে বাড়ি ফিরে আসে। ফের কাজে যাওয়ার সময়ই এই বিপত্তি ঘটে। তাঁর দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় ফোনে জানতে পারেন, ছত্তিশগড় স্টেশনে তিনজনকে ট্রেন থেকে নামানো হয়েছে। তার পর রেল পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
আরও খবর : সকাল সকাল ভূমিকম্প রাজধানীতে! আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। গঙ্গাটিকুরি পঞ্চায়েতের প্রধান গোপাল হাজরা অভিযোগ করেন, হিন্দিতে কথা বলতে না পারার কারণে রেল পুলিশ তিন কিশোরকে আটক করেছে। তাঁর দাবি, বাংলা ভাষায় কথা বলাই তাদের আটক হওয়ার কারণ। অন্যদিকে কেতুগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ বলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Workers) সঙ্গে দুর্ব্যবহার নতুন নয়। বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর আশ্বাস, আটক কিশোরদের নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, দলের সঙ্গে থাকা এক যুবকের দাবি, ভাষার কারণে নয়, বরং নাবালক হওয়ার কারণেই তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছে। দলের অন্যান্য সদস্যরা বয়সের প্রমাণপত্র দেখানোর পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে ওই যুবকের বক্তব্য।
দেখুন অন্য খবর :







