ওয়েবডেস্ক- রাজ্যে এসআইআর শুনানি (SIR Hearing) নিয়ে গাদা গাদা অভিযোগ! দিনক্ষণ কী বাড়বে? এই নিয়ে এখনও দোলাচালে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কারণ তথ্যে অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি (Logical Discrepancy) প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। কিন্তু সেই তালিকা এখনই দেওয়া হচ্ছে না কমিশনের ওয়েবসাইটে। এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির দিনক্ষণ প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই মনে করছে কমিশন। এই অবস্থায় অতি দ্রুত কাজ শেষ করতে চাইছেন ইলেকশন কমিশন।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শুনানির কাজ শেষ করে সেটি দ্রুত আপলোড করতে চার পর্যবেক্ষকের অধীনে ১০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। তারা কমিশনের হয়ে টি-বোর্ডের দফতরে কাজ করবে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন- করছাড় থেকে কর্মসংস্থান, বাজেট ২০২৬ ঘিরে আমজনতার প্রত্যাশা তুঙ্গে
তথ্য যাচাই করতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এদিকে বাংলায় এই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে ১০ দিন অতিরিক্ত সময় নিয়ে কাজ করছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী দফতর। এখনও হাতে রয়েছে আরও ৯ দিন। সেই অতিরিক্ত সময়ের আর প্রয়োজন হবে না বলেই মনে করছেন একাংশ নির্বাচনী আধিকারিকেরা। এক শীর্ষ নির্বাচনী আধিকারিকের মতে তথ্যে অসঙ্গতি, আনম্যাপড সব মিলিয়ে মোট ১ কোটি ৫২ লক্ষের কাছাকাছি মানুষকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হচ্ছে। তার মধ্যে ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষকে নোটিস দিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ৯০ লক্ষের কাছাকাছি শুনানি হয়েছে। এখনও ২২ লক্ষের কাছে নোটিস পাঠানো ও ৬২ লক্ষের কাছাকাছি শুনানি বাকি আছে। প্রতিদিন গড়ে ৮ লক্ষ শুনানি হচ্ছে। আগামী ৯ দিনের মধ্যেই শুনানি শেষ করতে পারবে বলেই আশাবাদী কমিশন। এখনও পর্যন্ত কোনও জেলা থেকে অতিরিক্ত সময় চেয়ে চিঠি আসেনি। যাচাই প্রক্রিয়ায় গতি আনতে সরাসরি ১০০ জন অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন। এদের কাজ হবে সমস্ত তথ্য ভালো করে খুঁটিয়ে দেখা। এই প্রক্রিয়াকে বলা হচ্ছে ‘সুপার চেকিং’।







