ওয়েবডেস্ক- আসানসোল আদালতে (Asansol) বোমাতঙ্ক (Bomb Threat) ! আজ মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই এই খবরে শোরগোল। উড়ো ফোন আসার পরেই জেলা বিচারকের নির্দেশে গোটা আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়। অপর দিকে শুধু আসানসোল নয়, কলকাতার নগর দায়রা আদালত (City Sessions Court) থেকে শুরু করে আসানসোল জেলা আদালত, দুর্গাপুর মহকুমা আদালত এবং চুঁচুড়া আদালত সবর্ত্রই একই খবর।
আসানসোল, চুঁচুড়া, বহরমপুর, দুর্গাপুর, কলকাতার সিটি সিভিল কোর্টের নিরাপত্তার বিষয়ে রাজ্যের ডিজির সঙ্গে কথা বলবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। কার্যত হুলুস্থুল পড়ে যায় আদালত চত্বরে। পুলিশ কমিশনারেট থেকে দ্রুত পুলিশ আদালত চত্বরে পৌঁছে যায়। আদালত ফাঁকা করে তল্লাশি শুরু হয়। এই তল্লাশি অভিযানে আনা হয়েছে স্নিফার ডগ। আজ আদালতে পূর্ণ দিবস কাজের দিন। মামলা মোকদ্দমা কারণে সাধারণ মানুষের কোর্ট চত্বরে ভিড় ছিল। আইনজীবী ও বিচারকরাও হাজির হয়েছিলেন। সেই সময় জেলা আসানসোল জেলা জজের কাছে একটি হুমকি মেল আসে। সেখানেই বলা হয় আদালত চত্বরে বোমা রাখা রয়েছে। বেলায় ওই বোমা বিস্ফোরণ করা হবে। ওই হুমকি ইমেল আসার পরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে আদালত চত্বরে।
দ্রুত খবর দেওয়া হয় আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটে। আদালত চত্বরে পৌঁছে যায় পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড। মাইকিং করে দ্রত আদালত চত্বর ফাঁকা করার কাজ শুরু হয়। আদালত চত্বর থেকে অতি দ্রুত আইনজীবী থেকে শুরু করে, কোর্ট চত্বর থাকা সমস্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেয় পুলিশ। তল্লাশি জন্য আদালতে আনা হয় স্লিপার ডঃ তল্লাশির জন্য আদালতে আনা হয় স্নিফার ডগ। গোটা আদালত চত্বরে চরম আতঙ্ক।
আরও পড়ুন- দোলের ছুটিতে ঘুরতে যেতে চান টিকিট পাচ্ছেন না? স্পেশ্যাল ট্রেন ঘোষণা রেলের
হুমকিতে এমন কথাই জানানো তিনতলায় বোমা রাখা হয়েছে। প্রথমে জানা গিয়েছিল জেলা জজের কাছে হুমকি ফোন এসেছিল। পরে জানা যায়, হুমকি ফোন নয়, ইমেলে বার্তা এসেছিল। জেলা জজ জানিয়েছেন, বিষয়টি ভুয়ো হুমকি বলেই প্রাথমিকভাবে অনুমান। এই ইমেলে জানানো হয়েছে, আদালতের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আরডিএক্স আইইডি স্থাপন করা হয়েছে। দুপুরের দিকে ৫-৭ জন মাওবাদী সদস্য কনস্যুলেট ও বিচারকের চেম্বারের খুব কাছে চলে আসবে। রিমোর্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটনা হবে। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখনও কিছু বলা সম্ভব নয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।







