ওয়েব ডেস্ক : গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসেছিল পড়ুয়ারা (Students)। সেই পরীক্ষা হল ম্যাধ্যমিক (Madhyamik)। কিন্তু, এই পরীক্ষায় একাধিক ছাত্রের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ উঠেছে। সেই কারণে ওই পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে টুকলি করার অভিযোগ উঠেছে একাধিক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে (East Burdwan)।
জানা যাচ্ছে, ওই জেলায় তিন পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে গিয়ে ধরা পড়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা মোবাইল (Mobile) ব্যবহার করে পরীক্ষা চলাকালীন টুকলি করার চেষ্টা করে। যা দেখে অবাক শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরাও। গলসির সাঁকো সিএস স্কুলের এক পড়ুয়া মোবাইল সহ ধরা পড়ে। কাটোয়া দুর্গাদাসী চৌধুরানি বালিকা বিদ্যালয়, কাটোয়া কেডিআই ইনস্টিটিউটের পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সবাই মোবাইল ব্যবহার করেই পরীক্ষা দিচ্ছিল।
আরও খবর : পানাপুকুরে উল্টে গেল স্কুল পুলকার!
এদের মধ্যে গলসির ছাত্রটি প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনে স্ক্যান করে এআই (AI) অ্যাপ ব্যবহার প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ধরা পড়ার পর ওই ছাত্রের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অন্য দুই ছাত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করে উত্তর লেখায়, তাঁদের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।
মূলত, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (Board of Secondary Education) নিয়ম অনুযায়ী, মোবাই নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। সেই কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার সময় পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি নেওয়া হয়। কিন্তু অনেকে চালাকি করে মোবাইল পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকাতে সক্ষম হয়। মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা জেলা কনভেনার জানিয়েছেন, জুতোর ভিতরে, মোজার ভিতরে অথবা সেলোটেপ দিয়ে পায়ের সঙ্গে মোবাইল আটকে ভিতরে ঢুকেছিল তিন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রে ঢোকার সময় তা সুইচ অফ ছিল। এর পর তা অন করে সাইলেন্ট মোডে রেখে ছাত্ররা টুকলি করার চেষ্টা করছিল। তবে সেই কারসাজি ধরে ফেলেন পরীক্ষকরা। ফলে পরীক্ষা বাতিল হয় তাঁদের।
দেখুন অন্য খবর :







