ওয়েব ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে ভাইরাল ভিডিওকে (Viral Video) কেন্দ্র করে বিতর্কের ঝড় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) ঘিরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে এবং রাজ্য থেকে তৃণমূল (TMC) সরকারকে হটাতে বিজেপির (BJP) সঙ্গে গোপন আঁতাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে সেই ভিডিওতে। এমনকি হুমায়ুনের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে ‘ডিল’ করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ওই ভিডিওকে কেন্দ্র করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।
প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, হুমায়ুন কবীর দাবি করছেন, তিনি যে কোনও মূল্যে মমোটা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে চান। সেই লক্ষ্যে তিনি নাকি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভিডিওতে আরও শোনা যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তিনি মোহন যাদব এবং হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে ইঙ্গিত দেন। হুমায়ুনের কথায়, মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব বিস্তার করে বিজেপিকে জেতাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন।
আরও পড়ুন: মমতাকে হারাতে BJP–র সঙ্গে ‘ডিল’? ফাঁস হুমায়ুনের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা, দেখুন এই ভিডিও
এই ভিডিও ভাইরাল হতেই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা সরব হয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “টাকার বিনিময়ে মুসলমানদের ভাবাবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা পাপ। এমন ব্যক্তিকে সমাজচ্যুত করা উচিত।” পাশাপাশি তৃণমূল নেতা কুয়ানল ঘোষও (Kunal Ghosh) প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কোন কোন আধিকারিক বা বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি অরূপ বিশ্বাস সহ দলের অন্যান্য নেতারাও হুমায়ুনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, ভাইরাল ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং ষড়যন্ত্র করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে এবং বিদেশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কথোপকথন রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভিডিওটি সত্য প্রমাণ করা গেলে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন। আর তা না হলে, দুই হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করবেন।
দেখুন আরও খবর:







