ওয়েবডেস্ক- অনেকটা হাফ ছেড়ে বাঁচল যেন রাজ্য বিজেপি (Bjp) । পরিবর্তন যাত্রায় (Paribartan Yatra) সেভাবে লোক না হওয়াতে চিন্তায় ছিল রাজ্য নেতারা। তার উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ধরনা। সবটা নিয়ে চাপে ছিল রাজ্য বিজেপি। কিন্তু জানা গেছে ,” ধরনা তে এবার সাড়া সেভাবে পেলো না তৃণমূল। তাই দিশাহীন ধরনা তুলে নিতে হল, কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে এই রিপোর্ট দেওয়া হল।
সেখানে আরও বলা হয়েছে, পাঁচ দিনের এই ধরনা ভীড় কম ছিল। মানুষের উৎসাহ সেভাবে দেখা যায়নি, সংবাদ মাধ্যম প্রচারের চেষ্টা করেও সফল হয়নি। ২৫’ শের ভোটার তালিকায় ভোট হওয়া তৃণমূলের দাবি মান্যতা দিল না সুপ্রিম কোর্ট। নতুন করে ট্রায়ব্যুনাল গঠন করে প্রক্রিয়া আর ও দীর্ঘকায় করল। তাই বাধ্য হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনা তুলে নিলেন’, এই রিপোর্ট দিল্লির বিজেপি নেতাদের দিল রাজ্য বিজেপি। গতকালের দিল্লিতে বৈঠকে এই রিপোর্ট দেওয়া হয় বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
বঙ্গে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হতেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরুর পর থেকেই সোচ্চার হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পথে নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর ইস্যু নিয়ে দিল্লি পর্যন্ত গিয়েছেন মমতা-অভিষেক। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টে নিজে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তারপরও বাংলার প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
আরও পড়ুন- ‘বাংলাকে যাঁরা ভালোবাসেন, বাংলাও তাঁদের ভালোবাসে’, প্রথম সাক্ষাতে নয়া রাজ্যপালকে বার্তা মমতার
এর মধ্যে ৬৩ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম স্রেফ ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আরও ৬০ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার বিচারাধীন। এসআইআর গেরোয় হয়রানি সাধারণ মানুষের। দায় এড়িয়েছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলেও ঝুলেই ৫৬ লক্ষের ভাগ্য। এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রীর বর্তমান কেন্দ্র ভবানীপুরে প্রায় ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই তালিকা থেকে বহু বৈধ ভোটারের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই অভিযোগ তুলে ধরতেই এদিন ধরনা মঞ্চে ওই ভোটারদের সামনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







