Tuesday, February 17, 2026
HomeScrollCGO কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরায় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসি

CGO কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরায় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসি

প্রয়োজনে পিসি-ভাইপোকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা , জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা

সাকিল মুস্তাক, সল্টলেক: সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দিতে  এলেন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (MLA Jibankrishna Saha) পিসি মায়া সাহা (Maya Saha)। ED সূত্রে খবর,’ধৃত তৃণমূল বিধায়কের পিসি মায়া সাহা (Maya Saha) হাজিরা দিলে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে’, প্রয়োজনে পিসি-ভাইপোকে মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

SSC-র নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, গত সোমবার জীবনকৃষ্ণ সাহার পিসির বাড়িতেও হানা দেয় ED। সাড়ে ৪টা ঘণ্টা ধরে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলে।

মায়া সাহা দাবি করেন, দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর যোগ নেই। যদিও জীবনকৃষ্ণ সাহার বাবা বিশ্বনাথ সাহার অভিযোগ, বহু জায়গায় বেনামে সম্পত্তি কিনেছেন তাঁর বোন। পারিবারিক হিংসা থেকে মিথ্যা দোষারোপ, দাবি মায়া সাহার।

জীবনকৃষ্ণের গ্রেফতারির পরেই মুখ খুলেছেন বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কের বাবা। সংবাদমাধ্যমের সামনে ছেলের বিরুদ্ধে সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, পিসি ভাইপো মিলে সব টাকা পয়সার গন্ডোগোল করেছে। জেল হওয়া দরকার।‘

আরও পড়ুন-  বিজেপির ললিপপ, কমিশনকে তোপ মমতার, দেখুন এই ভিডিও

দীর্ঘদিন হয়েছে, ছেলের সঙ্গে আর থাকেন না বিশ্বনাথ সাহা। কর্মসূত্রে সাঁইথিয়ায় থাকেন তিনি। ছেলের জীবনকৃষ্ণের সঙ্গে প্রায় মুখ দেখাদেখি বন্ধও তাঁর। ছেলের এইভাবে উত্থানকে মেনে নিতে পারেননি তিনি। এমনকী নিজের বোন মায়া সাহার সম্পর্কেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। বিশ্বনাথ সাহার আরও বক্তব্য, ‘রেড হওয়ার দরকার ছিল। প্রচুর সম্পত্তি করেছে। বিধায়ক হয়েই তো এসব করেছে। যা উপদ্রব, আমি তো থাকতেই পারব না যদি ওর কিছু না হয়। জীবন বিধায়ক হওয়ার পর এত এত সম্পত্তি করেছে। মায়াকেও কাউন্সিলর করেছে। ওর বাড়িতেও ইডি তল্লাশি চালিয়েছে। প্রচুর সম্পত্তি করেছে ওরা। কিচ্ছু ছিল না, ছিল একটা মিষ্টির দোকান। জীবন বিধায়ক হতেই সব হয়ে গেল। আমার সঙ্গে ওদের বরাবরের দূরতগ্ব। জীবন জামিন পেয়ে আসার পর থেকে আমায় ঢুকতে দেয় না।’

২০২৩ সালের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর ফের গ্রেফতার হয়েছেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। আগে সিবিআইয়ের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন, এবার ইডির হাতে গ্রেফতার হতে হয়েছে। ইডির একটি সূত্র জানাচ্ছে, এ বার তদন্তের আওতায় আসতে চলেছে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের বিধানসভার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটিও। ২০২৩ সালে গ্রেফতারের পর ১৩ মাস জেল খাটতে হয়েছিল জীবনকৃষ্ণকে। ২০২৪ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর বিধায়ক হিসাবে কাজকর্ম শুরু করেছিলেন তিনি।

দেখুন আরও খবর-

 

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot