ওয়েবডেস্ক- ভোটের আবহে আরও সক্রিয় ইডি (ED) । অনুপ মাঝি (Anup Majhi) কাণ্ডে নয়া মোড়। কয়লা কাণ্ডে (Coal Case) অনুপ মাঝিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের বাধা রইল না ইডির। দু সপ্তাহের সময়সীমা ধার্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) । দু সপ্তাহের মধ্যে ইডিকে এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্দেশ বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা ও বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার।
ইডির আইনজীবী এস ভি রাজু বলেন, অনুপ মাঝির খাত থেকে বহু ব্যক্তির কাছে টাকা লেনদেন হয়েছে। অনুপ মাঝির অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থায় আর্থিক লেনদেন হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন কোডের মাধ্যমে এই লেনদেন হয়। সেই কোডগুলির প্রকৃত বিস্তারিত বিবরণ জানতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, সে ক্ষেত্রে ওনার হিসাব রক্ষক কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। এস ভি রাজু সওয়াল, হিসাব রক্ষক ফেরার। তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারপতির প্রশ্ন, কতদিন লাগবে? এস ভি রাজু বলেন, ২ সপ্তাহ। আদালতের নির্দেশ, ইডির আবেদন অনুযায়ী ২ সপ্তাহ মঞ্জুর করা হল।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কয়লা পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে তল্লাশি অভিযান শুর করে ইডি। ওই অভিযানে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা সিন্ডিকেটের ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তির খতিয়ান উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সম্প্রতি সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসে। যার জেরে এই মামলায় বাজেয়াপ্ত করা মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
আরও পড়ুন- বিয়ে না-হওয়া পর্যন্ত কাউকে বিশ্বাস করবেন না!, মত সুপ্রিম কোর্টের
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লাপাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। রাজ্যে রেলের তরফে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে আয়কর দফতর, পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেই সূত্র ধরেই বেরিয়ে আসে অনুপ মাঝি ওরফে লালার নাম। ইডির কাছে খবর, লালার মাধ্যমে নিজের কয়লা-সাম্রাজ্য তৈরি করেছিল চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ। গত সপ্তাহেই কয়লা পাচার মামলার তদন্তে তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। সেখানে ২০২১ সালের পর থেকে বেআইনি কয়লা পাচারের বহু নথি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হয় বিপুল গয়না ও টাকার পাহাড়।







