ওয়েব ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West bengal Assembly Election 2026)। তার আগে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বসার কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। কিন্তু রাজ্যের অনুরোধে কমিশনের এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক (Meeting) পিছিয়ে গেল। কিন্তু এই বৈঠক কেন পিছিয়ে গেল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মূলত, আগামী ১ল ও ২ মার্চ নির্বাচন কমিশনের (Commission) উচ্চ পর্যায় এর আধিকারিক দের এ রাজ্যে বৈঠক ছিল বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন এজেন্সিগুলিকে নিয়ে। সূত্রের খবর, ১ মার্চ সারা রাজ্যজুড়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষা কর্মী (গ্রুপ সি) নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। এই পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৮ লক্ষেরও বেশি। এছাড়াও সেদিন ম্যাচও রয়েছে ইডেন গার্ডেনস সুপার এইট এর ম্যাচ। সেই কারণে এই বৈঠক পিছিয়ে গিয়েছে।
মূলত বিধানসভা ভোটের (Vote) প্রস্তুতি নিয়ে এই বৈঠক ছিল। সেই বৈঠক পিছনোর কথা জানানো হল জেলাশাসকদের। প্রসঙ্গত আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। তবে কবে এই বৈঠক হবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা য়ায়নি।
উল্লেখ্য, রাজ্যে ভোটের দামামা ইতিমধ্যে বেজে গিয়েছে। কমিশনের এই উচ্চ পর্যায়ের পর ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু, আপাতত এই বৈঠক পিছিয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। সূত্রের খবর, ১ মার্চ ২৪০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হবে পশ্চিমবঙ্গে।
আরও খবর : সিল করা বোতলের জল পান, তার পরেই রক্তবমি ব্যবসায়ীর! কী ছিল ওই বোতলে?
জানা গিয়েছিল, রাজ্যের মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Ministry of home Affairs) তরফে। সেখানে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের জন্য ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পয়লা মার্চ অর্ধেক আধাসেনা মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীতে সিআরপিএফ থাকবে ১১০ কোম্পানি, বিএসএফ থাকবে ৫৫ কোম্পানি, ২১ কোম্পানি থাকবে সিআইএসএফ, আইটিবিপি থাকবে ২৭ কোম্পানি ও এসএসবি থাকবে ২৭ কোম্পানি।
এর পরে বাকি ২৪০ কোম্পানি বাহিনী (Central Force) আসবে আগামী ১০ মার্চ। সেখানে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী থাকবে ১২০ কোম্পানি, সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা থাকবে ৬৫ কোম্পানি, সিআইএসএফ থাকবে ১৬ কোম্পানি, তিব্বত সীমান্ত পুলিশ বাহিনী থাকবে ২০ কোম্পানি এবং সশস্ত্র সীমা বলের (SSB) ১৯ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে। জানা যাচ্ছে, ৯ সেকশন আধাসেনার মধ্যে বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ৮ সেকশন কেন্দ্র বাহিনী। বাকি ১ সেকশনকে কুই্যক রেসপন্স ফোর্স হিসাবে ব্যবহার করা হবে।
দেখুন অন্য খবর :







