ওয়েব ডেস্ক: সামনেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে রাজ্য বিজেপির (West Bengal BJP) সাংগঠনিক অবস্থান যে খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়, তা দলের অন্দরমহলেই স্বীকার করছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে সর্বচারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের প্রথম সফর হিসেবে বাংলাকেই বেছে নিয়েছেন নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। তবে কলকাতা নয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি আসছেন দুর্গাপুরে (Durgapur)। সেখানে ‘কমল মেলা’র উদ্বোধন করবেন।
কিন্তু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির এই সফর ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। কারণ, দুর্গাপুরের ‘কমল মেলা’য় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে উপস্থিত থাকছেন মোনালি ঠাকুর (Monali Thakur)। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং বিভিন্ন দলীয় গ্রুপে জোর প্রচার শুরু হয়েছে। আর সেখানেই প্রশ্ন তুলছেন দলেরই একাংশ—একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমাজমাধ্যমে কেন একটি সঙ্গীত অনুষ্ঠানের এত জোরালো প্রচার?
আরও পড়ুন: বাংলায় বিজেপির হার সময়ের অপেক্ষা, ছাব্বিশে ফের মসনদে ‘দিদি’, বললেন অখিলেশ
দলের মিডিয়া গ্রুপে নতুন সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ কিংবা তাঁর বঙ্গ সফরের কর্মসূচি তুলে ধরার বদলে মোনালি ঠাকুরের ‘জলসা’র প্রচার কেন, তা নিয়ে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। দলীয় জনসভার বিজ্ঞাপনের জায়গায় সঙ্গীত শিল্পীর অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখে অবাক হয়েছেন অনেক প্রবীণ বিজেপি নেতাও। কারণ সেইসব বিজ্ঞাপনে লেখা হয়েছে—“দুর্গাপুরবাসী প্রস্তুত তো? কমল মেলায় দর্শকদের মনে খুশির জোয়ার তুলতে আসছেন মোনালি ঠাকুর।”
এই প্রচার ঘিরে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি যখন রাজ্যে আসছেন, তখন তাঁর সফর, রাজনৈতিক বার্তা বা জনসভা নিয়ে প্রচার না করে হঠাৎ করে কেন সঙ্গীতানুষ্ঠানকে সামনে আনা হল—তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন নেতাদের একাংশ। কারও কারও মতে, মেলায় ভিড় টানার লক্ষ্যেই কি এই ধরনের প্রচার করা হচ্ছে? তা হলেও এই সিদ্ধান্ত আদৌ কতটা কৌশলগত, তা নিয়েও দ্বিধায় বিজেপির প্রবীণ নেতৃত্বের একাংশ।
দেখুন আরও খবর:






