কলকাতা: সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে (West bengal Goverment) নির্দেশ দিয়েছিল সব বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মার্চ মাস থেকেই মিলবে বকেয়া ডিএ, জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নের অর্থদফতর সেই ডিএ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল। সরকারি কর্মচারি (West Bengal Goverment Employee) ডিএ পাবেন, তবে পুরোটা নয়। ডিএ বকেয়া মেটাতে সরকারি আদেশনামায় জানান হল দু’দফায় মিলবে এই প্রাপ্য টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বকেয়া মহার্ঘভাতা মেটানো নিয়ে সরকারি আদেশনামা প্রকাশ করল রাজ্য সরকার।
অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তি মিলবে ২০২৬ মার্চ মাসে। আর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে সেপ্টেম্বরে। আদেশনামায় জানানো হয়েছে, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘভাতা কয়েক দফায় মিটিয়ে দেওয়া হবে। সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি সরকারি পোষিত সংস্থার কর্মীরাও এই সুবিধা পাবেন। অবসরপ্রাপ্ত কর্মী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীরাও বকেয়া ভাতার আওতায় থাকবেন।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘভাতা দুই দফায় দেওয়া হবে। প্রথম দফার টাকা দেওয়া হবে চলতি মার্চ মাসে। দ্বিতীয় দফার অর্থ দেওয়া হবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। তবে অন্য সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে সেই বকেয়া অর্থ তাঁদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। ওই অর্থ দুই বছর পর্যন্ত তোলা যাবে না বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই সময়ের মধ্যে কেউ অবসর নিলে, চাকরি ছাড়লে বা মৃত্যু হলে সেই অর্থ তৎক্ষণাৎ তোলার অনুমতি দেওয়া হবে।
অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া অর্থ সরাসরি তাদের পেনশন অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। পারিবারিক পেনশনভোগীরাও একই সুবিধা পাবেন। এদিকে স্কুল, কলেজ, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং বিভিন্ন সরকারি পোষিত সংস্থার কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘভাতার অঙ্ক আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে অর্থ দফতরকে জানাতে হবে। সেই হিসাব পাওয়ার পরই রাজ্য সরকার জানাবে, তাঁদের প্রাপ্য অর্থ কীভাবে এবং কবে মেটানো হবে।







