ভারতের রাজনীতির উঠোনে গত এক দশকে যে পরিবর্তনগুলো সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার মতো, তার মধ্যে এক নম্বরে আছে রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে থাকা অর্থের বিপুল পরিমাণ। আর সেখানে সবাইকে ছাপিয়ে আছে এই মুহূর্তের শাসকদল ভারতীয় জনতা পার্টি। তাদের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আধুনিক গণতন্ত্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন। যখন একটা রাজনৈতিক দলের হাতে দেশের বাকি সমস্ত দলের মিলিত অর্থের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি সম্পদ থাকে, তখন সেই গণতন্ত্রের ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আমরা যদি অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা এডিআর-এর এই সময়ের প্রতিবেদনগুলোর দিকে তাকাই, তবে শিউরে ওঠার মতো কিছু তথ্য সামনে আসবে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের ছ’টা জাতীয় দলের মধ্যে বিজেপি এককভাবে আয়ের দিক থেকে সবার উপরে তো ছিলই, এই সময়ে বিজেপির ঘোষিত আয়ের পরিমাণ ছিল ৪,৩৪০.৪৭ কোটি টাকা। যেটা দেখার সেটা হল, ভারতের সমস্ত জাতীয় দলের মোট আয়ের প্রায় ৭৫ শতাংশই ছিল একা বিজেপির দখলে। অন্যদিকে, দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের আয় ছিল মাত্র ১,২২৫.১২ কোটি টাকা। মানে, আয়ের হিসেবে বিজেপি কংগ্রেসের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ এগিয়ে আছে। আর এই যে সম্পদের পাহাড় গড়া হয়েছে, এর গতিও অবিশ্বাস্য। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বিজেপির আয় ছিল ২,৩৬০.৮৪ কোটি টাকা, যা মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৮৩.৮৫ শতাংশ বেড়েছে, আপনার মাইনে কত বেড়েছে? দেশের গড় আয় কত বেড়েছে? প্রশ্নটা হল, একটা রাজনৈতিক দলের আয় এক বছরে এত তাড়াতাড়ি কীভাবে বাড়তে পারে? তথ্য বলছে, এই আয়ের সিংহভাগই এসেছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী অনুদান আর কর্পোরেট সংস্থাগুলোর কাছ থেকে। বিজেপির মোট আয়ের প্রায় ৯১.৪০ শতাংশই এসেছে ডোনেশন থেকে। এই বিশাল অঙ্কের টাকা বিজেপির হাতে থাকায় তারা নির্বাচনের ময়দানে এতটাই এগিয়ে থাকছে যে, অন্য দলগুলোর পক্ষে তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর আয় বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়টা ছিল ‘নির্বাচনী বন্ড’ বা ইলেক্টোরাল বন্ড। ২০১৭ সালে যখন এটা চালু করা হয়, তখন সরকারের দাবি ছিল, এটা রাজনৈতিক অনুদানে স্বচ্ছতা আনবে। কিন্তু বাস্তবে এটা রাজনৈতিক দলগুলোকে পরিচয় গোপন রেখে অঢেল টাকা পাওয়ার এক গোপন সুড়ঙ্গে পরিণত হয়েছিল। বন্ডের মাধ্যমে কে কত টাকা দিচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের জানার কোনও উপায় ছিল না। সুপ্রিম কোর্ট ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই প্রকল্পকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দেয়, কারণ এটা নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার বা আর্টিকেল ১৯(১)(এ) লঙ্ঘন করছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই সময়ে হুমকি আর ঘুষ দিয়ে আদায় করা এই টাকা ফেরত দেবার কোনও কথা বলেনি। পরিসংখ্যান বলছে, এই নির্বাচনী বন্ডের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিল বিজেপি। বন্ড চালুর পর থেকে যত টাকা এই খাতে জমা পড়েছে, তার প্রায় ৫৭ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ সরাসরি বিজেপির তহবিলে গিয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বিজেপি বন্ডের মাধ্যমে পেয়েছে ১,৬৮৫.৬৩ কোটি টাকা, যেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৮২৮.৩৬ কোটি টাকা, আর আম আদমি পার্টি পেয়েছে মাত্র ১০.১৫ কোটি টাকা। এই বন্ড ব্যবস্থার ফলে শিল্পপতিরা শাসক দলকে বিপুল টাকা দিয়ে নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে পারতেন। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে বলেছিল যে, এই বন্ড ব্যবস্থা আসলে শাসক দল এবং বড় শিল্পপতিদের মধ্যে এক ‘কুইড প্রো কুও’ বা পারস্পরিক সুবিধার লেনদেনের ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। মানে খুব পরিস্কার, দল টাকা পায় আর শিল্পপতিরা পান সরকারি নীতিতে সুবিধা বা বড় বড় প্রজেক্টের ঠিকা। কিন্তু সেই অন্যায়ভাবে আদায় করা টাকা থেকেই গেল বিজেপির কাছেই।
ইলেক্টোরাল বন্ড বাতিল হওয়ার পর অনেকে ভেবেছিলেন রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের উৎস হয়তো কিছুটা কমবে। কিন্তু আসলে দেখা যাচ্ছে, বড় বড় সংস্থাগুলো এখন ‘ইলেকট্রোরাল ট্রাস্ট’-এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো শুরু করেছে। ২০২৪-২৫ সালের তথ্য বলছে, বিজেপির অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে ৫৩ শতাংশ বেড়ে ৬,০৮৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩,১০০ কোটি টাকার বেশি এসেছে বিভিন্ন ইলেকট্রোরাল ট্রাস্টের মাধ্যমে। এই ট্রাস্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী হল ‘প্রুডেন্ট ইলেকট্রোরাল ট্রাস্ট’। এই ট্রাস্টটা ভারতের সবচেয়ে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীর কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে রাজনৈতিক দলগুলোকে বিলি করে। মজার বিষয় হল, এই ট্রাস্ট যত টাকা সংগ্রহ করে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই যায় বিজেপির ঝুলিতে। ২০২৪-২৫ সালে এই ট্রাস্ট থেকে বিজেপি পেয়েছে ২,১৮১ কোটি টাকা, যেখানে কংগ্রেসের ভাগে জুটেছে মাত্র ২১৬ কোটি টাকা। এই বৈষম্যই প্রমাণ করে যে, ভারতের বড় বড় পুঁজিপতিরা কেন শাসক দলের উপর এত বেশি বিনিয়োগ করছেন। টাটা গ্রুপ, ভারতী এয়ারটেল, মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মতো সংস্থাগুলো এই ট্রাস্টের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঢালছে। আর এই রাজনৈতিক অনুদানের সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর অভিযানের এক রহস্যময় যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, কোনো বড় সংস্থার ওপর ইডি বা আয়কর বিভাগের তল্লাশি চলার ঠিক পরেই সেই সংস্থা বন্ড বা ট্রাস্টের মাধ্যমে বিজেপিকে বড় অঙ্কের টাকা দিয়েছে। এটা এক ধরণের এক্সটর্শন।
আরও পড়ুন: Fourth Pillar | মোদিজির ডিজিটাল ইন্ডিয়াতে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে মরছে
যখন আইন এবং তদন্তকারী সংস্থাকে রাজনৈতিক আখের গুছিয়ে নিতে ব্যবহার করা হয়, তখন গণতন্ত্রের প্রতিটা স্তম্ভ নড়বড়ে হয়ে পড়ে। আর বিজেপির এই অঢেল টাকার সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় প্রচারের কাজে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিজেপি তাদের ব্যয়ের ৫০ শতাংশেরও বেশি বা ১,৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করেছে সাধারণ প্রচার এবং বিজ্ঞাপনের পিছনে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই খরচ করেছে প্রায় ১,৪৯৪ কোটি টাকা, যা ৩২টা রাজনৈতিক দলের মোট নির্বাচনী ব্যয়ের প্রায় ৪৫ শতাংশ। কোথায়, কীভাবে এই বিশাল পরিমাণ টাকা খরচ হয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের হাতের স্মার্টফোন আর টেলিভিশনের স্ক্রিনে। বিজেপি তাদের আয়ের বড় একটা অংশ ব্যয় করে ডিজিটাল প্রচারের পিছনে। তাদের রয়েছে বিশাল এক ‘সাইবার আর্মি’ এবং লক্ষ লক্ষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের জন্য বিজেপি যে পরিমাণ অর্থ ঢালে, তার ধারেকাছেও কোনও বিরোধী দল নেই। ইউটিউব থেকে শুরু করে ফেসবুক—সর্বত্র বিজেপির চোখ ধাঁধানো ভিডিও এবং গ্রাফিক্স মানুষের মগজধোলাই করার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটা নিউজ চ্যানেলের বিজ্ঞাপন বিরতিতে কেবল প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখা যায়, সাধারণ ভোটারের মনে এই ধারণা গেঁথে দেওয়া হয় যে, বিজেপির কোনও বিকল্প নেই। হ্যাঁ, এই মুহূর্তে বাংলার নির্বাচন নিয়ে ভরে গিয়েছে সামাজিক মাধ্যম। গরিব মানুষের ট্যাক্সের টাকা যখন বড় বড় শিল্পপতিদের পকেটে যায় আর সেই শিল্পপতিরা আবার রাজনৈতিক দলকে টাকা দিয়ে প্রচারের জোয়ার বইয়ে দেয়, সাধারণ মানুষের আসল সমস্যাগুলো—যেমন বেকারত্ব বা মূল্যবৃদ্ধি—এই জৌলুসের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।
ভারতের মতো বিশাল দেশে গরিব মানুষের সংখ্যা অনেক, সেখানে সরাসরি টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগও তো আছে। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৭,০০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের নগদ টাকা, মদ আর উপহার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মদই ছিল প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার। তার মূল উদ্দেশ্য তো ভোটারদের প্রভাবিত করা। অথচ নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে একজন প্রার্থী ৭০ থেকে ৯৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তব ছবিটা এক্কেবারে আলাদা। একটা লোকসভা আসনে লড়াই করতে এখন ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। এই বিশাল টাকার জোগান দেয় সেই সব শিল্পপতিরা যারা ভবিষ্যতে সরকারি নীতির সুবিধা নিতে চান এবং পান। যখন একজন সাধারণ ভোটার ৫০০ বা ১,০০০ টাকার বিনিময়ে নিজের ভোটটা বিক্রি করেন, তখন তিনি আসলে নিজের ভবিষ্যৎকেই সস্তায় বন্ধক রাখেন, কিন্তু তার কাছে তো সেই মুহূর্তের ৫০০ বা ১,০০০ টাকা অনেক বড়। এই দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে গণতন্ত্রের গুষ্টির ষষ্টিপুজো হচ্ছে, আর তা রুখতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ। গণতন্ত্রের সোজা মানে হল জনগণের দ্বারা পরিচালিত শাসন। কিন্তু ভারতীয় সংসদের দিকে তাকান, এটা এখন, ‘ধনী ব্যক্তিদের ক্লাব’, রিচ পিপলস ক্লাব। ২০২৪ সালে নির্বাচিত সাংসদদের ৯৩ শতাংশই হল কোটিপতি। বিজেপির ২৪০ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি প্রার্থীর সম্পদ কোটি টাকার উপরে। ভারতের গড়পড়তা নাগরিকের তুলনায় এই সাংসদরা প্রায় ২৭ গুণ বেশি সম্পদশালী। মানে আপনার পকেটে ১,০০০ টাকা থাকলে আপনার জনপ্রতিনিধির হাতে ২৭,০০০ টাকা আছে। হ্যাঁ, কোনওরকমে জনপ্রতিনিধি হলেই লটারির টিকিট পাচ্ছেন তাঁরা। গত দশ বছরে আবার নির্বাচিত হওয়া ১০২ জন সাংসদের সম্পদ গড়ে ১১০ শতাংশ বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের সম্পদও গত দশ বছরে প্রায় ৮২ শতাংশ বেড়েছে বলে এডিআর রিপোর্টে বলা হয়েছে। বিজেপির অনেক সাংসদ যেমন হেমা মালিনী বা পুনমবেন মাদাম-এর সম্পদ ১০০ কোটি টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। একজন সাধারণ সমাজকর্মী বা সৎ মানুষের পক্ষে আজকের দিনে নির্বাচনে লড়াই করা অসম্ভব।
ফলে আইন তৈরির ক্ষমতা চলে যাচ্ছে মুষ্টিমেয় কিছু বিত্তবান মানুষের হাতে, যারা নীতি নির্ধারণের সময় গরিব মানুষের চেয়ে নিজেদের শ্রেণি, তাঁদের দাতা শিল্পপতি জোতদার, জমিদারদের স্বার্থই বেশি করে মাথায় রাখেন। আর বিজেপির এই অপার সম্পদ কেবল নির্বাচনের কাজেই ব্যবহার হয় না, এটা দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। অন্যদিকে লোকসভা ভোটের ঠিক আগে বিরোধীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া বা বড় বড় নেতাদের জেলে ভরার যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তা বিরোধী দলগুলোর আর্থিক ক্ষমতাকে পঙ্গু করে দেওয়ারই এক কৌশল যা মিডিয়াতে আসছে না। যখন মিডিয়ার বড় বড় হাউসগুলো শাসক দলের বিজ্ঞাপন বা সরাসরি দাক্ষিণ্যের ভরসাতেই চলে, তখন নিরপেক্ষ খবর পরিবেশন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে সাধারণ মানুষ সংবাদের নামে কেবল একতরফা প্রচারই দেখতে পান। নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সিবিআই—প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে আজ প্রশ্ন উঠছে। টাকার জোরে এই সব প্রতিষ্ঠানকে যখন শাসক দলের আজ্ঞাবহ করে তোলা হয়, তখন গণতন্ত্রের মূল নির্যাসটুকুও শুকিয়ে যায়। ভারতের গণতন্ত্র আজ এক ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। একদিকে রয়েছে টাকার পাহাড় আর আধুনিক প্রযুক্তির দাপট, অন্যদিকে রয়েছে কোটি কোটি বঞ্চিত মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই। যদি গণতন্ত্র কেবল টাকার খেলায় পরিণত হয়, তবে তা আর গণতন্ত্র থাকবে না, বরং তা হবে ‘প্লুটোক্রেসি’ বা ধনতন্ত্র। বিজেপির এই বিপুল সম্পদের দাপট কি শেষ পর্যন্ত ভারতীয় সংবিধানের মূল আদর্শকে ধ্বংস করে দেবে? হ্যাঁ, গণতন্ত্রের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল এই ‘অর্থের আস্ফালন’ থেকে নিজেকে মুক্ত করা। সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর যদি টাকার দাপটে চাপা পড়ে যায়, তবে ভারতের গণতন্ত্রের গৌরব কেবল ইতিহাসের পাতায় এক নিছক তামাশা হয়েই থেকে যাবে।
দেখুন আরও খবর:








