Saturday, August 30, 2025
HomeScrollমহাভারতকে সামনে রেখে খুনের আসামিদের সাজা বদল করল আদালত

মহাভারতকে সামনে রেখে খুনের আসামিদের সাজা বদল করল আদালত

কিশোরী নিগ্রহকে কেন্দ্র করে ১৯৯৪ সালে ঘটে এই ঘটনা

ওয়েব ডেস্ক: কিশোরী নিগ্রহকে (Woman Harassment) কেন্দ্র করে ১৯৯৪ সালের এক খুনের মামলায় (Murder Case) অভিযুক্তদের সাজা বদল করল ওড়িশা হাইকোর্ট (Odisha High Court)। উল্লেখযোগ্যভাবে, মহাকাব্য মহাভারতের (Mahabharat) উদ্ধৃতি টেনে মামলার সাজা হ্রাস করলেন বিচারপতি। এই মামলায় আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে, যেমন দ্রৌপদীর অপমান মহাভারতের যুদ্ধের ভূমি তৈরি করেছিল, তেমনই কিশোরীর অপমান এই ঘটনার মূল সূত্র।

মামলার পর্যবেক্ষণে বিচারপতি সঙ্গম কুমার সাহু ও বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাস জানান, অভিযুক্ত ছয়জনের কারও সরাসরি খুনের অভিপ্রায় ছিল না। তাই ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (ইচ্ছাকৃত খুন) বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে ৩০৪ ধারা পার্ট–২ (অনিচ্ছাকৃত খুন) কার্যকর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিহারে তিন লক্ষ ভোটার বাংলাদেশ-নেপালের নাগরিক!

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯৪ সালের ২২ অগাস্ট। সেদিন একটি অনুষ্ঠান মণ্ডপে ভিডিও শো চলাকালীন অভিযুক্তদের একজন কিশোরীকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল মন্তব্য করে। মেয়েটি ঘটনাটি কাকাকে জানালে, তিনি তাঁর বাবাকে জানান। পরদিন সালিশি বৈঠক ডাকলেও তা শুরু হওয়ার আগেই ঝগড়া বেঁধে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মেয়েটির বাড়িতে ঢিল ছোঁড়া হয়।

এরপর ২৪ অগাস্ট রাতে হামলা চালানো হয় মেয়েটির বাবা ও কাকার বাড়িতে। কিশোরীর বাবা অন্য একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলেও অভিযুক্তরা তাকে টেনে নিয়ে যায়। চাষের ক্ষেতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে দেহ ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

এই মামলায়  ছয়জনকে মূল অভিযুক্ত করা হয়। নিম্ন আদালত তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয়। তবে হাইকোর্ট মনে করে, মৃতের শরীরে হওয়া আঘাত মৃত্যুর জন্য পর্যাপ্ত ছিল না। তাই ১৯৯৪ সালের অগাস্টে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা ২০০০ সালের মার্চে জামিনে মুক্তি পান। দীর্ঘ কারাবাসকেই শাস্তি হিসেবে যথেষ্ট মনে করে হাইকোর্ট মামলা নিষ্পত্তি করেছে।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News