ওয়েবডেস্ক- আজ বিকেলে বাংলাদেশের (Bangladesh) ১১ তম প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে শপথ (sworn) নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman) । বঙ্গভবনের দরবার হলের পরিবর্তে এই প্রথম জাতীয় সংসদ ভবনে দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সঙ্গে মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরাও শপথগ্রহণ করবেন।
সংসদ সচিবালয়ের সূত্রে খবর, শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন (President Muhammad Shahabuddin) । ২০০১ সালে বিএনপির মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল ৬০ সদস্যে নিয়ে। এবার মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে ৩৭ জনকে নিয়ে। তার মধ্যে ২৬-২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ৯-১০ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন। যাঁদের নাম প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাঁরা হলেন, আন্দালিব রহমান পার্থ, ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, শহিদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, , মাহদি আমিন, সাঈদ আল নোমান প্রমুখ। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ঢাকার বেইলি রোড, মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডে ৩৬টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন- বিদায়ী ভাষণেও ‘সেভেন সিস্টার্স’ প্রসঙ্গ টানলেন ইউনুস
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনে নতুন এমপিদের শপথ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পরে বিকেলে দক্ষিণ প্লাজায় হবে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। অন্তত ১৩টি দেশকে সেই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র (Narendra Modi) মোদি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছাবার্তা (Greetings from Narendra Modi) নিয়ে যাচ্ছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Lok Sabha Speaker Om Birla) । তার সঙ্গে যাচ্ছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি (Foreign Secretary Vikram Mishri) ।
তিনি তারেকের রহমানের হাতে তাঁকে ভারতের সফরে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর মোদির আমন্ত্রণ পত্র তুলে দেওয়া হবে। এছাড়াও যাচ্ছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার সহ প্রায় এক হাজার ২০০ জন দেশি-বিদেশিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনও ‘একটি বিষয়ে’ আটকে থাকবে না। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে থাকার বিষয়টিও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হবে না। ফখরুলের মতে ‘আমরা বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তাঁকে শাস্তি দেওয়ার জনতার দাবি রয়েছে। আমরা মনে করি, ভারতের উচিত তাঁকে আমাদের হস্তান্তর করা উচিত। কিন্তু তা বাণিজ্য সম্পর্ক সহ বৃহত্তর সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। আমরা আরও ভালো সম্পর্ক গড়তে চাই’।







