ওয়েবডেস্ক- বিধানসভা ভোট (Assembly Election 2026) আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। ভোটের আবহে গোটা রাজ্য এখন সরগরম। এই অবস্থায় জনসংযোগ সারতে ব্যস্ত রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা। পিছিয়ে থাকলেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও (Partha Chatterjee) । জেলমুক্তির পরে এই প্রথম নিজের বিধানসভা এলাকায় দেখা তাঁকে। ঘরে ঘরে গিয়ে তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা বুঝিয়ে দিতে চাইছেন তিনি দলেরই একজন। এখন আর তাঁর মন্ত্রিত্ব নেই। তবে দলের একজন নেতা হিসেবেই আজ সক্রিয় তিনি।
একজন বিধায়ক হিসেবে বেহালা পশ্চিমে এসেছেন তিনি। দীর্ঘদিন জেলে থাকায় তিনি এই সমস্ত কার্যকলাপ থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচন সামনে আসতেই সেই পুরনো মেজাজেই দেখা গেল একসময়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। জনগণের কাছের মানুষ হয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে যেতে এবার ময়দানে নেমেছেন তিনি।
সাংবাদিকদের তৃণমূলের এই বর্ষীয়ান নেতা জানিয়েছেন, শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে। তার পরেও বেহালার মানুষের প্রতি তাঁর একটা দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এলাকায় যাচ্ছেন তিনি।জেলবন্দি থাকার সময় অনেক প্রিয় মানুষের মৃত্যুর খবর তিনি পেয়েছেন। এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মুখে উঠে আসে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কথাও। তিনি বলেন, তাঁকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হলেও কালি ধুয়ে যাবে। তিনি অমলিন থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর অসীম আস্থা রয়েছে বলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন- ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসছে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী!
পার্থ বলেন, দল পাশে থাকল কি থাকল না সেটা বড় কথা হয়, তিনি সব সময় রয়েছেন। বেহালা পশ্চিমের মানুষ তাঁকে পর পর পাঁচবার বিধানসভায় পাঠিয়েছেন। সেই কারণে মানুষের পাশে থাকবেন। মনে কথা জানাবেন। প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, অনেকেই হয়তো ভেবেছিল তিনি জেলেই মরে যাবেন। কিন্ত মানুষের ভালোবাসা তাকে ফিরিয়ে এনেছে। সুস্থ করে তুলেছে। মানুষের তিনি সব সময় থাকবেন। সেই জন্য নির্বাচনের আগে বিধায়ক হিসসেবে তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন মানুষের কাছে। যাঁরা একসময় তাঁকে নির্বাচিত করেছিল, জেল থেকে ফেরত আসার পর তাঁকে নিয়ে মানুষ কী ভাবছে সেটাও জানতে চাইছেন তিনি।







