নয়াদিল্লি: এসআইআরে (SIR) লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি তালিকা প্রকাশ করতে কমিশনকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এসআইআরের তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। এমনটাই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রকাশ্যে ওই সংক্রান্ত তালিকা টাঙিয়ে দিতে বলা হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ্যে ওই তালিকা টাঙিয়ে দিতে হবে।শুনানিতে কারও কাছ থেকে নথি গ্রহণ করা হলে তার রসিদও দিতে হবে, জানিয়েছে আদালত।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ৫৮ লক্ষের নাম তো আগেই বাদ চলে গিয়েছে। কমিশন সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ১.৩৬ কোটি ভোটারকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের শুনানির জন্য তলব করা হবে। পরে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৯৪ লক্ষে।আর এই আবহে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত কমিশনকে নির্দেশ দিল, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে।গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ্যে ওই তালিকা টাঙিয়ে দিতে হবে। শীর্ষ আদালত কমিশনকে দেওয়া নির্দেশে জানিয়েছে, প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার বা অফিস খুলতে হবে, যেখানে মানুষ নথি জমা দিতে ও আপত্তি জানাতে পারবেন। রাজ্য সরকারকে পর্যাপ্ত কর্মী দিতে হবে। এই কর্মীরা পঞ্চায়েত ভবন ও ব্লক অফিসে বসে ভোটারদের কথা শুনবেন।
আরও পড়ুন:বিজেপিতে সর্ব ভারতীয় সভাপতি নির্বাচন আজই! দৌড়ে এগিয়ে নীতিন নবীন
আদালত আরও জানিয়েছে, প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই নির্দেশ কঠোর ভাবে মানতে হবে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময় রাজ্যকে যথাযথ পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নথি গ্রহণ ও শুনানি করলে অবশ্যই রসিদ এবং সিদ্ধান্তের কারণ লিখিত ভাবে জানাবেন। কোনও ভোটার চাইলে প্রতিনিধির মাধ্যমে নথি জমা দিতে পারবেন। সেই প্রতিনিধি হতে পারেন স্থানীয় বুথ স্তরের এজেন্ট (বিএলএ), পরিবারের সদস্য অথবা অন্য কেউ, যাঁকে ভোটার অনুমতি দিয়েছেন। তবে তাঁর কাছে একটি অনুমতিপত্র থাকতে হবে। তাতে সংশ্লিষ্ট ভোটারের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকতে হবে।







