কলকাতা: তেলুগু ও কোভাডা রীতি মেনে বিয়ে সেরেছেন তারকা জুটি বিজয়-রশ্মিকা। ঐতিহ্যবাহী কাসু মালা থেকে আংটি, বিয়ের সাজে অনন্যা রশ্মিকা, ভারী গয়নায় চমক বিজয়েরও। ফ্যাশন নয়, সংস্কৃতিই আগে! বিয়েতে ঐতিহ্য ও রাজকীয় সাজের ট্রেন্ড ফেরালেন বিজয়…। হায়দ্রাবাদের বিখ্যাত ‘শ্রী জুয়েলার্স’-এর তৈরি এই হেরিটেজ গয়নাগুলোতে দাক্ষিণাত্যের আভিজাত্য আর ঐতিহ্যের যে মেলবন্ধন দেখা গিয়েছে তা বেশ পছন্দ করেছেন অনেকেই।
দু’জন অভিনেতা, যাঁদের অনুরাগীদের সংখ্যা অসংখ্য, তাঁরা যখন বিয়ের বন্ধনে বাঁধা পড়েন, স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের উন্মাদনা-কৌতূহল তুঙ্গে থাকবেই। তারকাদের বিয়ে হলে প্রতিবারই স্পটলাইট চলে যায় কনের দিকে- তাঁর লেহেঙ্গা, শাড়ি, গয়না, আংটি, ওড়না, তালিকার শেষ নেই। ঠিক তেমনটা হয়েছেও তবে রশ্মিকা-বিজয়ের বিয়ে নিয়ে। কিন্তু বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই যে বিষয়টি আরও বেশি নজর কেড়েছে, তা হল দু’জনের পোশাক। বিয়েতে কনে তো বটেই, বিশেষভাবে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিজয় দেবরাকোন্ডার (Vijay Deverakonda) সাজও। তাঁর হাত ধরেই আবারও বরের সাজে ফিরল ঐতিহ্য ও রাজকীয়তার ছোঁয়া। কিন্তু যখন রশ্মিকা মন্দানা (Rashmika Mandanna) এবং বিজয় দেবেরকোন্ডার তেলেগু বিয়ের ছবিগুলো সামনে আসে, তখন মনোযোগ কেবল এক দিকেই যায়নি। দু’দিকেই সমান নজরে কেড়েছে। বিজয় এমন এক সাজ বেছে নিয়েছিলেন, যা তাঁর তেলুগু ঐতিহ্য, শিকড় আর সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। অভিনেতার পুরো লুকটাই ছিল যেন কোনও রাজার প্রতিকৃতি- শান্ত, গম্ভীর, নিজের ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত। এই অঙ্গবাস্ত্র তৈরি হয়েছে হায়দরাবাদের বিখ্যাত ভনসিঙ্গারম বুনন শৈলীতে, যেখানে হাতের কাজেই নকশা তৈরি হয়- সেলাই নয়, সরাসরি কাপড়ে বোনা।বিজয়ের গয়নাগুলোও ছিল দক্ষিণ ভারতের পুরনো স্টাইলে। বিজয় তাঁর বিয়ের দিনে ফ্যাশনের ট্রেন্ড নয়, নিজের শিকড় বেছে নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: জাদুঘরে রঙের উৎসব! বসন্তের রঙে মুখর ‘দীক্ষা মঞ্জরী’
অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা কমলা-লাল রঙের শাড়ির সঙ্গে রশ্মিকা বেছে নিয়েছিলেন ভারী ‘টেম্পল জুয়েলারি’ (Temple Jewellery)। এই ধরনের গয়নায় সাধারণত দেবী লক্ষ্মী, ময়ূর এবং ফুলের কারুকার্য করা থাকে। রশ্মিকার গলায় ছিল একটি ভারী গোল্ডেন চোকার, যার মাঝখানে ছিল বিশালাকার গোলাকার পেনডেন্ট। তার সঙ্গে তিনি লেয়ার করেছিলেন বেশ কিছু লম্বা সোনার চেইন। কানে ছিল ঐতিহ্যবাহী ঝুমকো, যা চেইনের মাধ্যমে চুলের সঙ্গে আটকানো ছিল। হাতে ছিল ফুলের নকশা করা ‘হাতফুল’ এবং কনুই পর্যন্ত বিস্তৃত কারুকার্যময় বাজুবন্ধ।







