Tuesday, April 7, 2026
HomeScrollশুধু মহিলা নয়, ৪০ পেরোলে হরমোনাল চেঞ্জ হয় পুরুষদেরও! সতর্ক থাকুন এই...
Hormonal Disbalance

শুধু মহিলা নয়, ৪০ পেরোলে হরমোনাল চেঞ্জ হয় পুরুষদেরও! সতর্ক থাকুন এই উপায়ে

চল্লিশোর্ধ পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোনের ধীরে ধীরে হ্রাস পায়, কী হয় এর ফলে?

ওয়েব ডেস্ক: বয়স ৪০ পেরোলে মহিলাদের শরীরে নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা যায়। কিন্তু মধ্যবয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে কী শারীরিক পরিবর্তন (Physical Change) হয়? এ নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয় না। কিন্তু চল্লিশোর্ধ পুরুষদের পরিবর্তন সম্পর্কে জানলে আপনিও অবাক হবেন। চিকিৎসকদের মতে, এই সময় অনেক পুরুষই অ্যান্ড্রোপজের পর্যায়ে পৌঁছন, যা মূলত টেস্টোস্টেরন (Testoterone) হরমোনের ধীরে ধীরে হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত।

কিন্তু কী এই অ্যান্ড্রোপজ? চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘লেট-অনসেট হাইপোগনাডিজম’। এটি কোনও আচমকা পরিবর্তন নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি জৈবিক প্রক্রিয়া। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। ৪০ পার হওয়ার পর গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১ শতাংশ হারে এই হরমোনের মাত্রা হ্রাস পায় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এই পরিবর্তনের প্রভাব কেবল শারীরিক নয়, মানসিক ও যৌন জীবনেও পড়তে পারে।

আরও পড়ুন: একই বোতলে দীর্ঘদিন জল খাচ্ছেন? অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে বেশ কিছু সাধারণ উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেগুলিকে অনেকেই অতিরিক্ত কাজের চাপ বা মানসিক স্ট্রেস বলে ধরে নেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর নেপথ্যে হরমোনজনিত পরিবর্তন কাজ করে। যেসব উপসর্গ দেখলেই সতর্ক হতে হবে, সেগুলি হল-

  • অকারণ ক্লান্তি, অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যাওয়া
  • পেশিশক্তি হ্রাস বা পেশির ক্ষয়
  • শরীরে ভিসারাল ফ্যাট জমা, ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়া
  • যৌন ইচ্ছা ও ক্ষমতা কমে যাওয়া
  • অবসাদ, খিটখিটে মেজাজ
  • মনোসংযোগে সমস্যা বা ‘ব্রেন ফগ’
  • আত্মবিশ্বাসের অভাব

চিকিৎসকদের মতে, অ্যান্ড্রোপজকে হালকা ভাবে নেওয়া ঠিক নয়। টেস্টোস্টেরনের হ্রাস শরীরে বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, টাইপ ২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি হৃদ্‌রোগের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। এছাড়া, টেস্টোস্টেরন কমে গেলে হাড়ের ঘনত্ব কমে অস্টিয়োপোরোসিসের ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, যাদের ডায়াবিটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি বা লিভারের অসুখ রয়েছে, তাঁরা বেশি ঝুঁকিতে থাকবেন। এছাড়া ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ বা দীর্ঘ দিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বাড়তে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সেগুলি হল-

  • সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস
  • নিয়মিত শরীরচর্চা বা হাঁটাহাঁটি
  • পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম
  • ধূমপান ও মদ্যপান নিয়ন্ত্রণ
  • অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও ক্যালোরি কমানো
  • রোদে থাকা ও খোলা হাওয়ায় সময় কাটানো
  • মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য যোগব্যায়াম ও প্রাণায়াম

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

evos gaming

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WATITOTO LGO188 DEPOBOS https://www.demeral.com/it/podcast xgo88 WDBOS SLOT GACOR toto togel slot toto togel slot poker slot gacor idn poker 88 slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ https://www.demeral.com/it/demeral_software/ nobu99 toto slot traveltoto toto slot slot gacor situs slot gacor situs togel situs toto