Saturday, February 21, 2026
HomeScrollএকাত্তরের আবেগে তারেক, প্রথমবার ভাষা দিবসে শামিল জামাত
Bangladesh

একাত্তরের আবেগে তারেক, প্রথমবার ভাষা দিবসে শামিল জামাত

একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ

ওয়েব ডেস্ক: একাত্তরকে ভোলেননি তারেক। ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের অস্মিতার ভাসলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) নতুন প্রধানমন্ত্রী। শুধু কি তাই প্রথামবার ভাষা দিবসে শামিল হল জামাতও। যা পদ্মাপাড়ের ইতিহাসে প্রথমবার। শুক্রবার মধ্যরাতে একুশের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন শহিদ মিনারে (Bangladesh Shahid Minar)। আর তারপরই পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও (Tariqu Rahman)। একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ তা ভাষা দিবসে বুঝিয়ে দিলেন খালেদা পুত্র।

রাষ্ট্রপতির পরেই রাত ১২টা ৭ মিনিটে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারেক। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন তিনি। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যেরা শ্রদ্ধা জানান। সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল মহম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিরোধী দল হিসাবে ১১টি দলের জোটের নেতারা। তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন জামাতের আমির শফিকুর রহমান।গত দেড় বছরে বারবার জামাতের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশে বাঙালি অস্মিতা আক্রান্ত হয়েছে। নতুন শপথ নিয়েই প্রথম একুশে ফেব্রুয়ারি তারেক যেন বুঝিয়ে দিলেন একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: প্রতীক উরের প্রতীক বদল! অভিষেকের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ সিপিএম ত্যাগী নেতার

ভাষা দিবসের এই রীতিতে বরাবর ‘ইসলাম-বিরোধী’ বলেই মনে করে এসেছে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে সওয়াল করা জামাত। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রফিকুররা বেরিয়ে সময় তাঁদের সে কথা মনে করিয়ে স্লোগানও তোলেন অনেকে। বলা হয়, ‘একাত্তরের দালালরা, হুঁশিয়ার সাবধান’। জামাতের নেতাকর্মীরাও স্লোগান দেন ‘ভাষা সৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’।

বাংলা ভাষা আন্দোলনের সূচনা ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায়। ১৯৪৮ সালের মার্চে আন্দোলন সীমিত পরিসরে বিস্তার লাভ করে এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। সেদিন ১৪৪ ধারা ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। শহিদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার-সহ অনেকে। ২২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ মানুষও প্রতিবাদে রাজপথে নামে এবং মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ভাষা শহিদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতারাতি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার তা ভেঙে দিলেও আন্দোলন দমেনি। বরং আরও তীব্র আকার ধারন করে। পরে ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয় এবং একই বছরের ৮ মার্চ থেকে তা কার্যকর করা হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালে।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker