ওয়েব ডেস্ক: ইজরায়েলি (Israel) হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের (Iran) ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংসিরি, যাঁকে ‘হরমুজের দ্বাররক্ষী’ বলা হত। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে তেহরান (Tehran)। জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে ইজরায়েলের নিশানায় পড়ে গুরুতর জখম হয়েছিলেন তিনি, চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয়েছে।
ইজরায়েলের দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার কৌশলের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তাংসিরি। যদিও এতদিন বিষয়টি নিয়ে নীরব ছিল ইরান, পালটা আক্রমণ চালিয়েই গিয়েছে। অবশেষে IRGC-র তরফে মৃত্যুর খবর সামনে আনা হল। ২০১৮ সাল থেকে হরমুজের দায়িত্বে ছিলেন তিনি এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রেখে বিশ্ববাজারে চাপ তৈরি করেছিলেন বলেই দাবি বিশেষজ্ঞদের।
আরও পড়ুন: ১২ টন কিটক্যাট চুরি! টান পড়তে চলেছে জোগানে? স্পষ্ট করল নেসলে
ইতিমধ্যেই ইজরায়েলি অভিযানে ইরানের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি, গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব এবং বাসিজ ফোর্সের কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানি নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, এই আঘাতে ইরান আরও আগ্রাসী হতে পারে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী। প্রতিদিন প্রায় ২০-২২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে রপ্তানি হয়, যা বৈশ্বিক সমুদ্রপথে তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ LNG-ও এই রুটে যায় বিশ্ববাজারে। ফলে এই প্রণালী ঘিরে অস্থিরতা বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে।







