ওয়েব ডেস্ক: ইরানের (Iran) বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ( Donald Trump) প্রশাসনের অন্দরে বাড়ছে মতভেদ। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ অভিযান (America-Israel Conflict) ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ ঘিরে রিপাবলিকান পার্টির সমর্থন থাকলেও ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ জোটের ভিতরে স্পষ্ট বিভাজন প্রকাশ্যে এসেছে।
ট্রাম্পের দাবি, ইরান এমন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির করছিল যা আমেরিকার নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বড় হুমকি। তবে তাঁর প্রশাসনেরই বিভিন্ন শীর্ষকর্তার বক্তব্যে মিল নেই। বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইজরায়েলের পরিকল্পিত হামলায় আমেরিকা যোগ দিয়েছে। অন্যদিকে যুদ্ধের সময়সীমা নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আশ্বাস দিয়েছেন, আমেরিকাকে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হবে না।
আরও পড়ুন: টিকিটের দাম ছুঁইছুঁই ১ লক্ষ! দুবাই-সহ উপসাগরীয় দেশ থেকে ভারতে ফেরা এখন দুঃস্বপ্ন
এই যুদ্ধের জেরে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন ভ্যান্স। অতীতে তিনি স্পষ্টই বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো আমেরিকার জন্য ব্যয়বহুল ও অপ্রয়োজনীয় হবে। অথচ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম কয়েক দিন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। পরে ফক্স নিউজে এসে তিনি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পক্ষেই সাফাই দেন।
এদিকে প্রশাসনের অন্দরে বিদেশমন্ত্রী রুবিওর প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ইরান নিয়ে কড়া অবস্থানের পাশাপাশি বিদেশে হস্তক্ষেপের পক্ষেও তিনি সরব। এমনকি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্থল সেনা পাঠানোর পক্ষে থাকলেও রুবিও নাকি সে বিষয়ে সতর্কতা দেখিয়েছেন, এমন খবরও সামনে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ট্রাম্প প্রশাসনের এই অভ্যন্তরীণ মতভেদ আরও বাড়তে পারে। আর তার প্রভাব পড়তে পারে আগামী মার্কিন রাজনীতিতেও।







