ওয়েব ডেস্ক: ফের বিস্ফোরণে কাঁপল তেহরান (Tehran)। ইরানে (Iran) বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel)। ইহুদি সেনার পরপর গোলাবর্ষণে কেঁপে উঠল সিরাজ এবং আহভাজ। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা।
গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পরই ইরানে বড়সড় অভিযান চালাল ইজরায়েলের সেনা। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IDF)-এর দাবি, সিরাজ শহরে মাটির নিচে তৈরি একটি গোপন বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে। সেই বাঙ্কারেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল বলে দাবি তেল আভিবের। এমনকি ওই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইজরায়েলের উপর বড় হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন: মোজতবার ‘দিন গোনা শুরু’? ইরানের শাসন উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
শুধু সিরাজই নয়, রাজধানী তেহরানেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েল। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলিকেও নিশানা করা হয়েছে বলে খবর।
এরমধ্যেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেও একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, কুর্দ দিবস উপলক্ষে সেখানে একটি বড় মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বহু মানুষের জমায়েতের মধ্যেই আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। তবে ঠিক কোথায় বিস্ফোরণটি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিস্ফোরণের সঙ্গে ইজরায়েলের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে এই হামলার পরই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে ফোন করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগজি। সূত্রের খবর, ফোনালাপে ইরান ও গোটা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আলোচনায় ইরানের উপর লাগাতার হামলার বিষয়টি তুলে ধরেছেন আরাগজি। একইসঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের আগ্রাসী পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার উপর কী প্রভাব ফেলতে পারে, সেই উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার অধিকার তেহরানের রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেই অধিকার প্রয়োগ করতেও তারা প্রস্তুত।







