ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে (Middle East War) ইজরায়েল (Israel), আমেরিকা (USA), ইরানের (Iran) পাশাপাশি এখন জড়িয়ে পড়েছে একাধিক দেশ। এই পরিস্থিতির মাঝেই বড় কূটনৈতিক বার্তা দিল পাকিস্তান (Pakistan)। ইসলামাবাদের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে, প্রয়োজন হলে তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সৌদি আরবের (Saudi Arabia) পাশে দাঁড়াতে পারে। সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সামরিক চুক্তির কথা সামনে রেখেই এমন অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, ইরানকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। সৌদির উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা না চালানোর জন্যও তেহরানকে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সৌদির সঙ্গে সামরিক চুক্তি যে ইরানের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে প্রথমবার কোনও পাকিস্তানি শীর্ষ আধিকারিক প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন।
আরও পড়ুন: ইরানের পাল্টা হামলায় তছনছ ইজরায়েল! নেতানিয়াহুর দেশে কী অবস্থা? দেখুন
বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। পাল্টা জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এই আবহে পাকিস্তানের সম্ভাব্য যোগদান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই সৌদি আরবে সেনা ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে পাকিস্তান। রিয়াধের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। পাশাপাশি, পাকিস্তানি বায়ুসেনার একাধিক সিরিজের স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে খবর। পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ গোটা পরিস্থিতির তত্ত্বাবধান করছেন বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সৌদির যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেই কথোপকথনে সৌদিকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।
দেখুন আরও খবর:







