ওয়েব ডেস্ক : রাতারাতি ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) সামরিক পদক্ষেপ করেছে আমেরিকা (America)। বন্দি করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো (Nicolas Maduro) ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) এমন পদক্ষেপ নিয়ে তাঁর কড়া সমালোচনা করলেন নিউ ইয়র্কের নবনিযুক্ত মেয়র ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি (Mayor Zohran Kwame Mamdani)।
ভেনেজুয়েলায় এমন পদক্ষেক একদম গ্রহণযোগ্য নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে এ ধরনের সামরিক অভিযান ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট ডেকে আনবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। আমেরিকার পদক্ষেপকে তিনি ‘Act of War’ বা ‘যুদ্ধনীতি’ বলে উল্লেখ করেছেন।
আরও খবর : ভেনেজুয়েলার পর নজরে কলম্বিয়া, মেক্সিকো, কিউবা! লাতিন আমেরিকায় আরও আগ্রাসী ট্রাম্প?
এ নিয়য়ে সমাজমাধ্যমে মামদানি (Mayor Zohran Kwame Mamdani) লিখেছেন, “তাঁকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে নিউ ইয়র্ক সিটিতে তাদের পরিকল্পিত কারাবাসের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর একতরফা আক্রমণ চালানো যুদ্ধের শামিল। এটি ফেডারেল ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের সমান।’
সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “শাসন পরিবর্তনের এই নগ্ন প্রচেষ্টা কেবল বিদেশের মানুষের ওপরই প্রভাব ফেলবে না, বরং এটি নিউ ইয়র্কবাসীদের ওপরও সরাসরি প্রভাব ফেলবে। যার মধ্যে এই শহরে বসবাসকারী হাজার হাজার ভেনেজুয়েলানরাও অন্তর্ভুক্ত। আমার মূল লক্ষ্য হল তাদের এবং প্রতিটি নিউ ইয়র্কবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমার প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হবে।”
তবে শুধু নিউ ইয়র্কের নবনিযুক্ত মেয়র একা নন, শিকাগোর মেয়রও ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তিনি বলেছেন, অভিবাসীদের প্রতি অমানবিক আচরণ এবং চরম দক্ষিণপন্থী নীতির ফলেই আজ দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকায় সামরিক হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে সরকার উৎখাতের চেষ্টাকেও তিনি তীব্র ভাষায় নিন্দা করেন।
দেখুন অন্য খবর :






