ওয়েব ডেস্ক: এক মাস পেরিয়ে গিয়েছে, এখনও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ (Middle East War) থামার কোনও নাম-গন্ধ নেই। দিনের পর দিন হামলার ঝাঁঝ বাড়িয়েই চলছে ইরানি সেনা। এদিকে আমেরিকার (USA) তরফেও ইরানের (Iran) বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধের (Ground Invasion) প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে খবর। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানে স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সেনা। কিন্তু কেমন হবে আমেরিকার এই বিশেষ সেনা অভিযান?
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার সম্ভাব্য এই অভিযানে সে দেশের ‘এলিট ফোর্সেস’ এবং নিয়মিত পদাতিক সেনা—উভয়কেই ব্যবহার করা হতে পারে। এই অভিযানে মার্কিন সেনার ‘টার্গেট’ হতে পারে ‘খারগ আইল্যান্ড’ এবং ‘হরমুজ প্রণালীর’র মতো ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র এবং আশপাশের উপকূলীয় এলাকাগুলি। জানা গিয়েছে, পূর্ণমাত্রার আক্রমণ নয়, বরং সীমিত পরিসরের অভিযানের কথাই ভাবা হচ্ছে। তবে এই পরিকল্পনায় এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump), এমনটাই দাবি প্রতিবেদনের।
আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট! শ্রীলঙ্কায় ৩৮০০০ মেট্রিক টন তেল পাঠাল ভারত
এদিকে একাধিক মার্কিন কর্মকর্তা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই ধরনের অভিযান শেষ করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এক প্রাক্তন মার্কিন প্রতিরক্ষা আধিকারিকের দাবি, এই পরিকল্পনা আগে থেকেই তৈরি এবং ‘ওয়ার-গেমিং’-এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ইরানের ভূখণ্ড দখল করা তুলনামূলক সহজ হলেও, সেখানে অবস্থানরত সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে গত ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকারের সামরিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলেছে আমেরিকা। শনিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ৩,৫০০ মেরিন ও নৌসেনা সদস্য সেখানে পৌঁছেছেন ইউএসএস ত্রিপোলি (USS Tripoli) রণতরীর মাধ্যমে। আমেরিকার এই বাহিনীর সঙ্গে রয়েছে যুদ্ধবিমান, পরিবহণকারী বিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম।
দেখুন আরও খবর:







