ওয়েব ডেস্ক: পরমাণু চুক্তি, একাধিক নিষেধাজ্ঞা এবং খামেনি-বিরোধী বিক্ষোভকে ঘিরে আমেরিকা–ইরান (America-Iran) সম্পর্ক ক্রমশই টানটান। এই আবহে মার্কিন জাহাজগুলিকে ইরানের জলসীমা থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলার নির্দেশ দিল ওয়াশিংটন (Washington)। কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই এই সতর্কবার্তা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা, সংঘাত কি আরও বাড়তে চলেছে?
ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান মহম্মদ ইসলামি সম্প্রতি জানান, আমেরিকা যদি ইরানের উপর থাকা সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তবে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৬০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে প্রস্তুত। এতে নতুন করে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগোনোর ইঙ্গিত মিলেছে।
আরও পড়ুন: ভোটের আগে বড় কূটনৈতিক চাল? আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ইউনুস সরকারের
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (MARAD) একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে:
- হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের সময় ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলতে
- জাহাজে ইরানি বাহিনীকে উঠতে অনুমতি না দিতে
- তবে জোর করে ওঠার চেষ্টা হলে সশস্ত্র বাধা না দেওয়ার পরামর্শ
- হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক তেল পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। এই অঞ্চলে সামান্য উত্তেজনাও বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
যুদ্ধ কি আসন্ন?
বর্তমান পরিস্থিতি উচ্চমাত্রার কূটনৈতিক ও সামরিক সতর্কতার ইঙ্গিত দিচ্ছে ঠিকই, তবে সরাসরি যুদ্ধ আসন্ন—এমন ঘোষণা বা স্পষ্ট প্রস্তুতির কথা এখনও কোনও পক্ষই জানায়নি। সাধারণত এ ধরনের নির্দেশিকা সম্ভাব্য ঝুঁকি কমানো ও জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখার জন্য জারি করা হয়। অতএব, উত্তেজনা বাড়লেও তা এখনই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে—এমনটা বলার সময় এখনও আসেনি।







