ওয়েব ডেস্ক: ৩৫ বছরের বেগম শাসনের পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছে তারেক রহমান (Tarique Rahman)। সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি-র (BNP) বিপুল জয়ের পরেই শুরু হয়েছে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের (Oath Ceremony) তোড়জোড়। শোনা যাচ্ছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister of Bangladesh) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন বিএনপি সভাপতি। কিন্তু তারেককে শপথবাক্য পাঠ করাবেন কে? সংসদহীন, স্পিকারহীন বাংলাদেশে এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।
সাধারণভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রচলন থাকলেও, বেসরকারি ফলাফলকে আনুষ্ঠানিক হিসেবে ধরা হয় না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল প্রথমে ‘সরকারি গেজেটে’ প্রকাশিত হতে হবে। এরপর তিন দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রীর কত সম্পত্তি রয়েছে জানেন?
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮-এ শপথ পাঠের বিকল্প ব্যবস্থাও স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে- রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনীত করতে পারেন। যদি সেই ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হন বা না করেন, তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন।
অতীতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করাতেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। কিন্তু পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বর্তমানে সংসদ নেই, স্পিকার নেই। ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে থাকায় সাংবিধানিক বিকল্প ব্যবস্থাই এখন একমাত্র ভরসা। সে দেশের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না। অর্থাৎ, এর সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির কথাও আলোচনায় রয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







