কলকাতা: দরজায় কড়া নাড়ছে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (Bengal Assembly Election 2026)। গত শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ (SIR Final Voter List) করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। যেকোনও দিন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। কমিশনের নজর অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) এসে পৌঁছে। রঙের উৎসবে মাঝেও বুধবার কলকাতার অলিতেগলিতে শোনা গেল ভারী বুটের শব্দ। হোলির দিনেও শহরে রুট মার্চ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর টিম টহল দেয় মধ্য কলকাতার শিয়ালদহ ও বউবাজার সংলগ্ন এলাকায়। মুচিপাড়া থানার একাধিক এলাকাতেও ভারী বুটের আওয়াজ। বিগত ২-৩ দিন দক্ষিণ কলকাতার একাধিক থানা এলাকা জুড়ে হয়েছে রুট মার্চ হয়েছে। গতকাল দোলের দিন গড়িয়াহাট থানা এলাকার পর আজ বুধবার উত্তর কলকাতায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces Route March Kolkata) টহল শুরু করেছে।
বুধবারও সকাল থেকে টহল শুরু মধ্য কলকাতার মুচিপাড়া গিরিশ পার্ক জুড়ে। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে জোড়কদমে শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি। বুধবার সকাল থেকে মধ্য কলকাতার তালতলা থানা এলাকায় স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে রুটমার্চ করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন জওয়ানরা। এলাকা চিনিয়ে দিতে রুট মার্চে উপস্থিত ছিলেন তালতলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা।গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বুথ ও সংবেদনশীল এলাকাকে বিশেষভাবে নজরে রেখে টহল চালানো হয়। তালতলা থানার কাছেই রানী রাসমণি হাই স্কুল সংলগ্ন একটি বুথ এলাকায়ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চে দেখা যায়। পাশাপাশি আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তাতেও টহল দেন জওয়ানরা।
আরও পড়ুন: বিতর্কিত মন্তব্য! শুভেন্দু’র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের থানায়
উল্লেখ্য, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। তবে যেকোনও দিন ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশ হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে। সেই কারণেই আগেভাগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে রাজ্যে ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হয়েছে।প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছেছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় তাদের রুট মার্চ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১০ মার্চের আগেই দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসবে। এই বাহিনী কোন কোন জেলায় এবং কোন এলাকায় মোতায়েন করা হবে, তার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।







