কলকাতা: বুধবার যাদবপুরে কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন দেব (Dev Attended SIR Hearing)। শুনানি প্রক্রিয়া শেষে বার হলেন হাসিমুখে। নথি পেশের পর নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) মানবিক হওয়ার আর্জি তারকা-সাংসদ দেবের। অভিনেতা সাংসদ বললেন, “আমাদের লাইনে দাঁড়াতে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু যারা বৃদ্ধ, অসুস্থ তাঁদের লাইনে দাঁড়ানো সমস্যার। তাঁদের ভোগান্তি পোয়াতে হয়নি। কমিশনকে বলব, তাঁদের যদি বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা যায়।”
রাজ্যে এসআইআর-এর শুনানি পর্ব চলছে। নথিতে সামান্য গরমিলেও তলব করা হচ্ছে ভোটারদের। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে বৃদ্ধ, অসুস্থদেরও। শুনানিতে ডাক পেয়েছেন জয় গোস্বামী, মহম্মদ শামি, লক্ষ্মীরতন শুক্লা-সহ বহু বিখ্যাতরা। সেই তালিকায় নাম ছিল ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা-পরিচালক দেবেরও। অভিনেতাকে আজ হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। বুধবার যাদবপুরে কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন দেব। শুনানি প্রক্রিয়া শেষে বার হলেন হাসিমুখে। প্রথমেই তিনি বলেন, ‘‘ভোট আসছে। রাজ্যের নাম যাতে খারাপ না হয়, এটা যেন সকলের কথাবার্তাতে ফুটে ওঠে। দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে যা কর্তব্য সেটাই করলাম। যা যা নথি চেয়েছিল তা দিলাম। তবে আমাকে ডাকার পর থেকে অনেকে ফোন করেছেন। জানিয়েছেন বৃদ্ধ, অসুস্থদের দীর্ঘ লাইনে। তিনি নিয়ম মেনে ফর্ম পূরণ করেছিলেন। তার পর শুনানিতে ডাকা হয়েছে শুনে আইন মেনে হাজিরা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:একশো দিনের কাজের টাকা দ্রুত গরিবরা পান, নিশ্চিত করুন’, বড় পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের
তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘‘আমি কাউকে দোষারোপ করছি না। বলতে চাই না যে, এটা কমিশনের ভুল বা দেবের ভুল। কিন্তু আমি ২০১১ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভোট দিচ্ছি। সেগুলো কি ভুল ভোট ছিল? রাজনীতি চলতে থাকবে। কিন্তু আমার চিন্তা প্রবীণ নাগরিকদের নিয়ে।এসআরএর ক্ষেত্রে আমাদের বয়সের নাগরিকদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু সিনিয়র সিটিজেন অর্থাৎ যাদের ৭০-৮০ উর্ধ্ব বয়স, অসুস্থ তাঁদের রিলিফ দেওয়া প্রয়োজন। কমিশনের কাছে তাঁর আরও আর্জি, “নির্বাচনটা মানুষের কাছে উৎসব। তাই কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়।অনেকে আধ ঘণ্টার বেশি দাঁড়াতে পারেন না লাইনে। সেই অবস্থাই নেই তাঁদের।তাঁদের নিয়ে যেন কমিশন একটু ভাবেন।’’এদিন শুনানির পর এসআইআরের কাজে যুক্ত সকলকে কুর্নিশ জানান দেব। ছবিও তোলেন তাঁদের সঙ্গে।







