কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে সরকারি কর্মীদের পুরনো বকেয়া ডিএ দিতে পোর্টাল চালু করল অর্থ দফতর। চলতি সপ্তাহেই একটি পোর্টাল চালু করেছে অর্থ দফতর। সেই পোর্টালে সরকারি কর্মচারীরা (WB Govt Employees) নিজেদের পুরনো বকেয়া ডিএর হিসাব আপলোড করতে শুরু করেছেন বলে খবর। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া পর্যন্ত বকেয়া ডিএর (DA) হিসাব পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে প্রশাসনিক মহলে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর আগে একটি আদর্শ কার্যপদ্ধতি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর চালুর কথা বলা হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে এখনও তেমন কিছু প্রকাশ করা হয়নি নবান্নের তরফে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছিল, ডিএ কোনও দয়া নয়, বরং সরকারি কর্মচারীদের আইনি অধিকার। আদালত নির্দেশ দেয়, ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তিতে মিটিয়ে দিতে হবে। সেই নির্দেশ মানতেই অর্থ দফতরের এই নতুন পোর্টাল। পোর্টালে তথ্য আপলোড শুরু হওয়ায় কয়েক লক্ষ কর্মী বকেয়া টাকা পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন। আগামী মঙ্গলবার, অর্থাৎ ৩১ মার্চ চলতি অর্থবর্ষের শেষ দিনেই এই প্রথম কিস্তির টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছনোর কথা।
আরও পড়ুন: মিটবে বকেয়া ডিএ ,লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ৩ হাজার, BJP-র ইশতেহারে কী কী থাকবে?
পোর্টাল চালু হওয়ার পর এত বড় সংখ্যক কর্মির পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার যে সময়সীমা আদালত ঠিক করে দিয়েছে, তাতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে সরকারি কর্মীরা ধন্দে রয়েছে। সরকারি কর্মচারী ছাড়াও ডিএ পাওয়ার কথা রাজ্যের শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাওয়ার অধিকারী। কিন্তু, বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডলের অভিযোগ, নতুন পোর্টালে কেবলমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই নিজেদের বকেয়া হিসাব আপলোড করতে পারছেন। বাকি ডিএ প্রাপকরা তাঁদের বকেয়া হিসাব আপলোড করতে পারছেন না।







