ওয়েব ডেস্ক : শিয়রে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। তার আগে একাধিক বিষয়কে সামনে রেখে শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) ও প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে শমীক অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিভাজনমূলক রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ এবং অনুপ্রবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, যার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় জনবিন্যাসের পরিবর্তন এবং অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশ ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে।
একটি ধর্মীয় মঞ্চ থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মন্তব্যেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। সঙ্গে শমীক (Samik Bhattacharya) বলেছেন, দেশের বিদেশনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সর্বদলীয় ঐকমত্য বজায় রাখা উচিত। পাশাপাশি তিনি জানান, ভারত সবসময় শান্তির পক্ষে এবং প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে এসেছে। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও আপস করা হবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে দলের অবস্থান হিসেবে “ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট” নীতির কথাও তুলে ধরেন শমীক।
আরও খবর : কলকাতার বাজারে কমে গেল সোনার দাম
এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে রাহুল সিনহা (Rahul Sinha) জানান, পূর্বস্থলীর জেলা পরিষদের সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য (Swapan Bhattacharya) তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল, তবে নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতে এখন পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে।
ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হলে রাজ্যের রাজনৈতিক চিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এছাড়াও, আর জি কর হাসপাতালের সাম্প্রতিক ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করেন। সঙ্গে এটিকে প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রতিফলন বলেও দাবি করেছেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলন শেষে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে মত গড়ে তুলছেন। আগামী নির্বাচনে গণতান্ত্রিকভাবেই তার প্রতিফলন দেখা যাবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
দেখুন অন্য খবর :







