কলকাতা: বঙ্গে দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার চালাচ্ছে শাসক-বিরোধী। ইতিমধ্যেই তৃণমূল নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছে। যদিও ইস্তেহারকে সামনে রেখে বঙ্গবাসীর কাছে ১০ প্রতিজ্ঞাকে তুলে ধরেছে তৃণমূল। আগামী ৫ এপ্রিল প্রকাশিত হতে পারে BJP-র ইশতেহার। প্রায় ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই এই ইস্তেহারে (BJP Manifesto West Bngal Election) রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক নানা পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে বলে খবর। পাশাপাশি নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজ্যের ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করবে তারা। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওই ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করবেন।
বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আগে রাজ্যে কার্যত মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। আগামী ৫ এপ্রিল প্রকাশিত হতে পারে গেরুয়া শিবিরের বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচনী ইশতেহার। বিজেপি তাদের প্রচারকে মূলত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, কর্মসংস্থান, শিল্পোন্নয়ন এবং মহিলাদের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করে সাজাতে চাইছে। ইশতেহারে থাকতে পারে ৩টি বড় প্রতিশ্রুতি।সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) সম্পূর্ণ পরিশোধ। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে মাসিক ৩ হাজার টাকা। যুবসাথী প্রকল্পে যুবকদের জন্য মাসিক ৩ হাজার ভাতা। খসড়া ইশতেহারে আসন্ন নির্বাচনকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অপশাসনের অভিযোগ তুলে, তাদের ১৫ বছরের কার্যকলাপ নিয়ে একটি ‘শ্বেতপত্র’ (White Paper) প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিজেপি। রাজ্যে ‘মাফিয়া রাজ’ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন:কৌরবদের সঙ্গে পাণ্ডবদের লড়াই , ‘আমরা পাণ্ডব আর বিজেপি কৌরব’: মমতা
রাজ্যের সব সরকারি শূন্যপদে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতে পারে৷সিঙ্গুরে জমির মালিকদের সম্মতিতে ১ হাজার একর জমিতে শিল্প পার্ক। ৪টি বড় শিল্প পার্ক তৈরি, চা ও পাট শিল্প পুনরুজ্জীবন, বার্নপুরের ইন্ডিয়ান আয়রন অ্যান্ড স্টিল ও দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের উন্নয়ন প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথ ভাবে গভীর সমুদ্রবন্দর। দামোদর, রায়ঢাক, ভাগীরথী ও গঙ্গাসাগর এলাকায় সেতু।সুন্দরবন থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত সড়ক। মালদা ও বালুরঘাট বিমানবন্দর উন্নয়ন। রেলের জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। ডা: বিধানচন্দ্র রায়ের নামে ৪টি নতুন শহর। মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত, পুলিশ সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি ও কঠোর শাস্তির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনুপ্রবেশ রোধ ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করার কথাও বলা হয়েছে। ধানচাষিদের জন্য সহায়ক মূল্য (MSP) নিশ্চিত করা এবং আলুচাষিদের সহায়তার পাশাপাশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশেষ বাজার গড়ে তোলা হবে।







