Homeলিডদিঘার জালে টন টন ইলিশ! মিলছে ৯০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজির মাছ,...

দিঘার জালে টন টন ইলিশ! মিলছে ৯০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজির মাছ, কমবে কি ‘রুপোলি শস্য’-র দাম?

দিঘা: ভরা মরশুমে ইলিশের দেখা মিলছিল না তেমন। কখনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কখনও সমুদ্রের প্রতিকূল পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে হতাশ ছিলেন দিঘার মৎস্যজীবীরা। তবে সেই ছবিটা কিছুটা বদলাল রবিবার। দিঘার মৎস্যজীবীদের জালে উঠল ৩০ টনেরও বেশি ইলিশ। ফলে বাজারে ইলিশের জোগান বাড়ার পাশাপাশি দামও কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ।

দিঘা ফিসারমেন অ্যান্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস জানিয়েছেন, মরশুমের শুরুতে ইলিশের জোগান ছিল খুবই কম। পরে এক দফায় প্রায় ২৫-৩০ টন ইলিশ উঠলেও দুর্ঘটনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফের মাছ ধরায় সমস্যা তৈরি হয়। সম্প্রতি পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই সমুদ্রে যাওয়া ট্রলারগুলির জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে।

উদ্ধার হওয়া মাছগুলির আকারও বেশ ভাল বলে জানা গিয়েছে। তবে পাইকারি বাজারে এখনও দাম পুরোপুরি নাগালের মধ্যে আসেনি। স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রায় ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১,৩০০ থেকে ১,৩৫০ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। ৬০০-৮০০ গ্রামের মাছ বিকোচ্ছে প্রায় ১,২০০ থেকে ১,২৫০ টাকা দরে। আবার ৫০০-৬০০ গ্রামের কিছু ইলিশ ৯০০ টাকার নীচেও পাওয়া যাচ্ছে।

মৎস্যজীবীদের আশা, আগামী দিনে ইলিশের জোগান আরও বাড়লে দামেও তার প্রভাব পড়বে। বর্ষার সময়ে গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশ নদীর মোহনার মিষ্টি জলের দিকে আসে। পুবালি হাওয়া এবং হালকা বৃষ্টিকে ইলিশ ধরার অনুকূল আবহাওয়া বলে মনে করেন মৎস্যজীবীরা।

গত কয়েক দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টি রয়েছে। ফলে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে আগামী দিনে দিঘার বাজারে ইলিশের আমদানি আরও বাড়তে পারে বলেই আশা মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীদের।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News