HomeScrollআন্দোলনের চাপে ‘১০ মিনিট ডেলিভারি’ বন্ধ! পিছু হটল Blinkit
Blinkit 10 minute delivery

আন্দোলনের চাপে ‘১০ মিনিট ডেলিভারি’ বন্ধ! পিছু হটল Blinkit

Swiggy-র সঙ্গেও আলোচনায় কেন্দ্র

কলকাতা: ডেলিভারি কর্মীদের টানা আন্দোলন ও কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে বড় সিদ্ধান্ত নিল কুইক কমার্স সংস্থা Blinkit। ‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’ সংক্রান্ত সমস্ত ব্র্যান্ডিং প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। নতুন বছরের শুরুতেই দেশজুড়ে গিগ কর্মীদের ধর্মঘটের পর এই পদক্ষেপকে আন্দোলনের বড় জয় বলেই দেখছেন শ্রমিক সংগঠনগুলি। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে Swiggy-সহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

জানা যাচ্ছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশজুড়ে প্রায় ২ লক্ষেরও বেশি ডেলিভারি রাইডার কর্মবিরতিতে সামিল হন। খাবার ও গ্রসারি-সহ বিভিন্ন অর্ডার বহন করতে অস্বীকার করেন তাঁরা। ন্যায্য পারিশ্রমিক, সামাজিক সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে সম্মান এবং নিরাপত্তার দাবিতে সোচ্চার হন ডেলিভারি কর্মীরা। আন্দোলনকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল—‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’ মডেল সম্পূর্ণ বন্ধ করা। তাঁদের অভিযোগ, এই দ্রুত ডেলিভারির চাপেই রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে বাইক চালাতে বাধ্য হন রাইডাররা, যা প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসের আকাশে ‘চিকেন শিল্ড’! ১২৭৫ কেজি মুরগির মাংসে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে সুখোই–রাফাল?

করোনা পর্বে ভারতে কুইক ডেলিভারি পরিষেবার ব্যাপক বিস্তার ঘটে। প্রথমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, পরে ওষুধ থেকে শুরু করে নানা সামগ্রী ইনস্ট্যান্ট ডেলিভারির আওতায় আসে। Blinkit, Swiggy Instamart, Zepto-র মতো সংস্থায় বিপুল বিনিয়োগ হয়। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ডার্ক স্টোর তৈরি করে এই পরিষেবা চালু রাখা হয়। রিয়েল এস্টেট সংস্থা Savills-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ডার্ক স্টোরের সংখ্যা ৭,৫০০ ছুঁতে পারে।

তবে এর উল্টো পিঠে রয়েছে ডেলিভারি কর্মীদের কঠিন বাস্তবতা। অ্যাপ সংস্থাগুলি সময়ের চাপ অস্বীকার করলেও, রাইডারদের অভিযোগ—দেরি হলেই খারাপ রেটিং, সুপারভাইজারের ফোন ও আর্থিক জরিমানা। যানজটে ভরা, খানাখন্দে ভর্তি রাস্তায় এই চাপ আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। দিল্লির মতো শহরে বায়ুদূষণও ঝুঁকি বাড়ায়।

Blinkit-এর সিদ্ধান্তের পর গিগ কর্মীদের দাবি, দ্রুত ডেলিভারির মডেল নিয়ে স্পষ্ট নীতি ও নিরাপত্তা বিধি আনুক কেন্দ্র। কেন্দ্রের সঙ্গে Swiggy-র আলোচনা কোন পথে এগোয়, সেদিকেই এখন নজর।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News