HomeScrollপদার্থবিদ্যায় বড় সম্মান ভারতের দীপক ধরের, ২০২৬-এর ডির‌্যাক মেডেল পেলেন পদ্মভূষণপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী
Dirac Medal 2026

পদার্থবিদ্যায় বড় সম্মান ভারতের দীপক ধরের, ২০২৬-এর ডির‌্যাক মেডেল পেলেন পদ্মভূষণপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী

এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতীয় অধ্যাপক দীপক ধরের নাম

ওয়েব ডেস্ক: পদার্থবিদ্যার জগতে আরও এক বড় স্বীকৃতি ভারতীয় বিজ্ঞানী দীপক ধরের (Deepak Dhar)। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২৬ সালের ডির‌্যাক মেডেল-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সম্মান বহু খ্যাতনামা বিজ্ঞানী পেয়েছেন। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতীয় অধ্যাপক দীপক ধরের নাম।

তাত্ত্বিক এবং পরিসংখ্যানগত পদার্থবিদ্যার পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও দীপকের গবেষণার গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে তাঁর ‘বার্নিং অ্যালগরিদম’ তত্ত্ব গবেষণার জগতে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। পদার্থবিদ্যার বেশ কিছু জটিল সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে চলেছেন তিনি। সেই গবেষণাকেই স্বীকৃতি দিয়েছে ডির‌্যাক মেডেল।

আরও খবর : নেতাজির আদর্শে নতুন রাজনৈতিক দল! জেন জি-কে সামনে রেখে ‘আজাদ হিন্দ পার্টি’, মেন্টর হতে পারেন চন্দ্র বসু

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল ফিজ়িক্স (ICTP) গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় অসামান্য অবদানের জন্য এই পদক দিয়ে আসছে। ২০২৬ সালে মোট চার জন বিজ্ঞানীকে এই সম্মানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন দীপক।

এর আগে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্মান পেয়েছেন এই ভারতীয় বিজ্ঞানী। ২০২৩ সালে তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মান দেয় ভারত সরকার। তারও এক বছর আগে, ২০২২ সালে, প্রথম ভারতীয় বিজ্ঞানী হিসাবে তিনি পান বোল্টজ়ম্যান মেডেল। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষক হিসাবেই দীর্ঘ দিন ধরে পরিচিত দীপক।

১৯৫১ সালে উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড়ে জন্ম তাঁর। ছোটবেলায় বিজ্ঞানী হওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। তাঁর মায়ের ইচ্ছে ছিল ছেলে আইএএস অফিসার হবেন। অন্য দিকে, বাবা নিয়মিত বাড়িতে নিয়ে আসতেন বিভিন্ন বিজ্ঞানবিষয়ক পত্রিকা। এমনই একটি পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞান সংক্রান্ত লেখা পড়েই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় দীপকের।

পরে এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কানপুর আইআইটিতে পড়াশোনা করেন তিনি। রিচার্ড ফেনম্যান ফেলোশিপ নিয়ে পাড়ি দেন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে। ১৯৭৮ সালে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরে টাটা ইনস্টিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। বর্তমানে বেঙ্গালুরুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর থিওরিটিক্যাল সায়েন্সেসের সঙ্গে যুক্ত তিনি।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News