ওয়েব ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)? বিহারের রাজনীতিতে (Bihar Politics) এনিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, নীতীশ কুমারকে রাজ্যসভায় পাঠাতে চায় বিজেপি। যদিও এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন জনতা দল নেতৃত্ব।আগামীকাল ৫ মার্চই মনোনয়ন জমা দিতে পারেন নীতীশ কুমার। এমনই চর্চা শুরু হয়েছে। এও শোনা যাচ্ছে যে তাঁর কাগজপত্র তৈরি হয়ে গেছে। জেডিইউ সুপ্রিমো মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে নাকি রাজ্যসভার প্রার্থী হয়ে দিল্লির রাজনীতিতে মনোনিবেশ করতে চান। কিন্তু তাহলে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? সেটাই সবচেয়ে বড় সাসপেন্স।
ওয়াকিবহাল মহল দাবি করছে, নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তাহলে সেক্ষেত্রে বিজেপি বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদ দাবি করতে পারে। এনডিএ-তে ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলায় এই রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই জল্পনাও ছড়িয়েছে যে, নীতীশ-পুত্র নিশান্ত কুমারকেও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। সূত্রের খবর, আগামিকালই নীতীশ কুমার রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেন। সেই পরিস্থিতিতে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে। যদি নীতীশ কুমার রাজ্যসভায় যান, তাহলে বিহারের রাজনীতিতে বড় রদবদল ঘটতে পারে। কারণ, সেক্ষেত্রে জেডিইউ-বিজেপি জোট সরকারের নেতৃত্বে প্রথমবার বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসানোর সুযোগ তৈরি হবে। ইতিমধ্যেই এই সম্ভাবনা ঘিরে পাটনা থেকে দিল্লি—রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাজ্যসভার আসনে মহিলারা কেন ব্রাত্য? বঙ্গ বিজেপির অন্দরেই বাড়ছে অস্বস্তি
বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জয়লাভ করে। ২৪৩ আসনের মধ্যে ২০২টিতেই জয়ী হয় তারা। সবথেকে বেশি আসন পায় বিজেপি। ৮৯টি। এরপরেই জেডিইউ। তাদের ঝুলিতে আসে ৮৫টি আসন। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের LJP(RV) পায় ১৯টি। বাকি ৯টি আসনে জয়ী হয় হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চা (HAM) ও রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার (RLM)-এর মতো দলগুলি। অন্যদিকে, আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাজোট ৩৫টি সিটে জিততে সক্ষম হয়।







