HomeScroll৭০ হাজার কোটির সাবমেরিন চুক্তিতে বড় গতি, এবার সিসিএসের অনুমোদনের অপেক্ষা
Project 75i

৭০ হাজার কোটির সাবমেরিন চুক্তিতে বড় গতি, এবার সিসিএসের অনুমোদনের অপেক্ষা

দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ছয়টি অত্যাধুনিক সাবমেরিন তৈরির প্রকল্প এবার নতুন করে গতি পেতে পারে। প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের প্রস্তাব শীঘ্রই নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির সামনে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ওয়েব ডেস্ক : ভারতীয় নৌসেনার সাবমেরিন শক্তি বাড়াতে বহু প্রতীক্ষিত প্রজেক্ট ৭৫(আই) (Project 75I) এবার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছতে চলেছে। সূত্রের খবর, প্রকল্পটির প্রস্তাব শীঘ্রই নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি বা সিসিএসের কাছে পাঠানো হতে পারে। অনুমোদন মিললে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা চুক্তি স্বাক্ষর এবং নির্মাণকাজ শুরুর পথ পরিষ্কার হবে।

প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের আওতায় ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) জন্য ছয়টি অত্যাধুনিক প্রচলিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। মুম্বইয়ের মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড এবং জার্মানির থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমস যৌথভাবে এই সাবমেরিন নির্মাণ করবে। বাণিজ্যিক শর্ত ও প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের কারণেই এতদিন প্রকল্পটি বারবার পিছিয়েছে।

আরও খবর : স্বাধীনতা দিবসে বড় ঘোষণা, ‘রাজস্থান সিভিল কোড ২০২৬’ আনার কথা জানালেন ভজনলাল শর্মা

এর মধ্যেই ভারতে নিজেদের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জার্মান সংস্থাটি। হায়দরাবাদের ভিইএম টেকনোলজিসের সঙ্গে ভারী টর্পেডো তৈরি, সংযোজন ও পরীক্ষার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। মুম্বইয়ের সিএফএফ ফ্লুইড কন্ট্রোলের সঙ্গেও ডুবোজাহাজ-বিরোধী যুদ্ধ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

প্রস্তাবিত সাবমেরিনগুলিতে বায়ু-নিরপেক্ষ চালনা ব্যবস্থা বা এআইপি প্রযুক্তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে সাবমেরিন প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের তুলনায় দীর্ঘ সময় সমুদ্রের নিচে থাকতে পারবে। আধুনিক সেন্সর, টর্পেডো, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার মতো প্রযুক্তিও এতে যুক্ত হতে পারে। ফলে শুধু ছয়টি সাবমেরিন তৈরি নয়, ভবিষ্যতে রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিকীকরণ এবং দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়নের ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ভারতীয় নৌসেনার প্রচলিত সাবমেরিন বহরে ঘাটতির মধ্যেই এই প্রকল্পের গুরুত্ব বেড়েছে। এর আগে ফ্রান্সের সহযোগিতায় মাজাগন ডক ছয়টি কালভারি শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করেছে। নতুন ছয়টি সাবমেরিন নৌবহরে যুক্ত হলে সমুদ্রের নিচে নজরদারি, গোপন অভিযান এবং দীর্ঘ সময় টহল দেওয়ার সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি ভারত ও জার্মানির দীর্ঘদিনের সাবমেরিন সহযোগিতাও নতুন প্রযুক্তি ও দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News