নয়াদিল্লি: প্রত্যাশামতোই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভিকে ফের রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে কংগ্রেস (Congress)। তেলেঙ্গানা (Telengana) থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই ৬টি আসনের জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস।
তালিকায় বিশেষ চমক না থাকলেও শেষ পর্যন্ত টিকিট পাননি বাংলার নেত্রী তথা এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক দীপা দাশমুন্সী। তেলেঙ্গানায় কংগ্রেসকে ক্ষমতায় ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকায় অনেকেই মনে করেছিলেন, এবার তাঁর কপাল খুলতে পারে। তবে শেষপর্যন্ত সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হয়নি।
আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে রাজ্যসভায় নীতীশ! বিহারে কি এবার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির?
ঘোষিত তালিকায় তেলেঙ্গানার একটি প্রায় নিশ্চিত আসন থেকে প্রার্থী করা হয়েছে অভিষেক মনু সিংভিকে। কংগ্রেসের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি দলের অন্যতম প্রধান ভরসা। তেলেঙ্গানার অপর আসনটিতে মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির ঘনিষ্ঠ ভেম নরেন্দ্র রেড্ডিকে প্রার্থী করা হয়েছে। যদিও ওই আসনে যদি বিআরএস প্রার্থী দেয়, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
তামিলনাড়ুতে জোটসঙ্গী ডিএমকের সমর্থনে একটি আসন পাচ্ছে কংগ্রেস। সেই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে খ্রিস্টোফার তিলককে। ছত্তিশগড় থেকে ফের টিকিট পেয়েছেন আদিবাসী নেত্রী ফুলো দেবী নেতাম। ২০১৩ সালে নকশাল হামলায় তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন, যদিও সেই হামলায় একযোগে ২৪ জন প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা নিহত হন।
এছাড়া হিমাচল প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এবং হরিয়ানায় ভূপিন্দর সিং হুডা ঘনিষ্ঠ নেতাকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে অসম ও রাজস্থানে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি, যদিও ওই দুই রাজ্যে কংগ্রেসের আসন জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে রাজ্যসভার ২৪৫টি আসনের মধ্যে বিজেপির হাতে রয়েছে ১০৩টি। এনডিএ-র মোট আসনসংখ্যা ১৩৩, যা ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে বেশি। এবারের নির্বাচনের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের মোট সাংসদ সংখ্যা এখন ৭৯, যার মধ্যে কংগ্রেসের ২৭, তৃণমূলের ১২ এবং বাকি আসন অন্যান্য দলের। হিসাব বলছে, ভোটের পর বিরোধীদের সংখ্যা কমে ৭৫-এর কাছাকাছি নামতে পারে।







