ওয়েবডেস্ক- বাংলাদেশে নির্বাচন (Bangladesh Election 2026) সম্পন্ন। আর কয়েকঘণ্টার মধ্যেই রেজাল্ট। এবার নতুন গণতান্ত্রিক সরকার (New democratic government) তৈরি হবে বাংলাদেশে। পদ্মাপাড়ের ভোটের দিকে নজর রয়েছে ভারতের। ২০২৪ সালের পদ্মাপাড়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এর পর সরকার গড়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গদিতে বসেন মহম্মদ ইউনুস (Muhammad Yunus) । তাঁর শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। হিন্দুহত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ঢাকার ভূমিকা নিয়ে বার বার সরব হয়েছে ভারত। এবার বাংলাদেশে নতুন সরকার তৈরি হবে। ভোটগ্রহণের মাঝেই মুখ খুললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান (BNP Chairman Tarique Rahman) ঘনিষ্ঠ নেতা মাহদি আমিন।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে আমিন বলেন, ইউনুস আমলের সমস্ত ক্ষত সারিয়ে তুলতে আগ্রহী বিএনপি। ক্ষমতায় এলে দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ফেরানো হবে, উভয়ের স্বার্থরক্ষায় কাজ করতে আগ্রহী খালেদা জিয়ার বিএনপি। আমিনের বক্তব্য, বিএনপি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিক একই অধিকার, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।”
আরও পড়ুন- লোকসভায় অগ্নিশর্মা রাহুল, ঝাঁঝালো ভাষণে কেন্দ্রে তোপ কংগ্রেস সাংসদের
জামাতের মতো কট্টর না হলেও খালেদা জিয়ার দল আওয়ামি লীগের (Awami League) তথাকথিত উদারপন্থা থেকে দূরেই। এই পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন দিল্লি। তবে তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি বক্তব্য, দেশের সমস্ত জনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
তারেক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘দেশের মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিলে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।







