Sunday, January 4, 2026
HomeScroll‘আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল হারলেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়নি’, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব অভিষেক
Abhishek Banerjee

‘আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল হারলেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়নি’, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব অভিষেক

উত্তরবঙ্গে বন্যার সময়ে বিজেপির কে এসেছিলেন? এ বার আসবেন...

আলিপুরদুয়ার: দক্ষিণের রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করে এবার সোজা উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেগা সভা (Abhishek Banerjee Alipurduar Meeting)। গতবারের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভার কথা মাথায় রেখে রাজ্যের শাসকদলের তরফ থেকে এবারে যে উত্তরবঙ্গকে টার্গেট। আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরি চা বাগানে সভা থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুরু ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বিজেপিকে তুলোধোনা করে বলেন, আলিপুরদুয়ারে সব আসনে হেরে গিয়েছে তৃণমূল। তারপরও কেউ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বঞ্চিত হয়নি।

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে বলেন, “১০০ দিনের টাকা ৫ বছর ধরে বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্র। বাংলায় হারের পর টাকা বন্ধ। তৃণমূল হারলেও একজনের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলতে পারবনে না। তিনি আরও বলেন, বিজেপির নেতারা প্রকাশ্যে বলে, আমরা টাকা বন্ধ করে দেব। আপনাদের কি মনে হয়, কেন্দ্র টাকা দিলে তবে জমির পাট্টা পাবে? তবে জল দেবে? আমরা মিথ্যা কথা বলি না, কথা দিলে কথা রাখি। চা বাগান শ্রমিকদের অভিষেকের বার্তা, “চা বাগান অধিগ্রহণের কথা বলেছিলেন মোদি। বিজ্ঞপ্তি দিয়েও পরে বাতিল করেন। আমরা মিথ্যে বলি না। কথা দিলে কথা রাখি। বিজেপির মতো মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় না কেন্দ্র।

আরও পড়ুন:২৬ এর ঝোড়ো ভোট প্রচারে অভিষেক, আলিপুরদুয়ারের পর ৬ জানুয়ারি বীরভূম

উত্তরবঙ্গে বন্যার সময়ে বিজেপির কে এসেছিলেন? প্রশ্ন করলেন অভিষেক।দিদি এসেছিলেন। বাড়ি করেছেন, সেতু করেছেন। এ বার ভোট আসছে। আবার বিজেপির নেতারা আসবেন। যখন কোনও ভোট ছিল না, তখনও মালবাজারে এসেছে। ২০২২ সালে তো ভোট ছিল না। আমরা এসেছিলাম, কারণ রাজনীতি শুধু ভোটের সময়ের জন্য নয়। জনসেবা করতে এসেছেন যখন ২৪ ঘণ্টা থাকতে হবে। সকলকে ভোটদানের আর্জি অভিষেকের। তাঁর কথায়, বিজেপির সাংসদ এবং সাপ একই জিনিস। আপনার দুধ-কলা খেয়ে আপনাকেই ছোবল মারবে। তাই এ বার সাপ পুষবেন না। তৃণমূলকে সুযোগ দিন। যদি আপনাদের জন্য কাজ করতে না পারি, পরের বারই সরিয়ে দেবেন। অভিষেকের চ্য়ালেঞ্জ, “তৃণমূলই একমাত্র বিজেপিকে জব্দ করতে পারে। এক দেশ, এক ভোট আইন পাশ করতে দেব না সংসদে।”

Read More

Latest News