কলকাতা: কয়েকদিন আগেই স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠকে জানানো হয়েছিল যে, সোশাল মিডিয়ায় তারকাদের লাগাতার হেনস্তা, আক্রমণের প্রতিবাদে টলিপাড়ার পরিচালক-প্রযোজকরা পুলিশের দ্বারস্থ হবেন। শুক্রবার টলিপাড়ার তরফে হতে পারে লালবাজার অভিযান। সাইবার ক্রাইম (Lalbazar Combat Cyber Crime) ও সামাজিক মাধ্যমে লাগাতার হেনস্থা রুখতে একজোট হয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিতে পারেন টলিপাড়ার (Bengali Film Industry) চেনামুখেরা। এত মানুষের ভিড়েও একটি নামের অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, দেব অধিকারী।
সোশ্যাল মিডিয়ার অদৃশ্য হয়ে যখন ক্রমাগত আক্রমণ, কটূক্তি, হুমকি—এই সবকিছুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমছিল দিনের পর দিন। শুক্রবার লালবাজারে একে একে হাজির হতে শুরু করলেন ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস থেকে শুরু করে ইম্পার প্রেসিডেন্ট পিয়া সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবীর চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তরা।এখানেই শেষ নয়, উপস্থিত থাকতে দেখা যায় রানা সরকার থেকে শুরু করে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কেও। উদ্দেশ্য সাইবার ক্রাইম ও সামাজিক মাধ্যমে লাগাতার হেনস্থার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়া, লিখিত অভিযোগ জানানো, এবং নিজেদের নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া।
আরও পড়ুন:হৃতিকের ‘২৫ শতাংশ বাঙালি ’
লালবাজারে ঢোকার আগে ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। কী কারণে এই অভিযান, এ নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে স্বরূপ বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে আমাদের শিল্পী, কলাকুশলীকে হেনস্থা করা হচ্ছে, অপমান করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেই কারণেই লালবাজারের দ্বারস্থ হয়েছি। এত মানুষের ভিড়েও একটি নামের অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দেব অধিকারী। প্রশ্ন ওঠে স্বাভাবিকভাবেই। ফেডারেশন সভাপতিকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করা হলে তাঁর উত্তর সংক্ষিপ্ত, “অনেকেই আসতে পারেননি।






