Monday, September 1, 2025
HomeScrollজগন্নাথধাম নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক মমতার

জগন্নাথধাম নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক মমতার

ওয়েব ডেস্ক: গতকালই অর্থাৎ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Cm Mamata Banerjee) জানিয়ে দিয়েছিলেন দিঘার জগন্নাথ মন্দির (Digha Jagannath Temple) নিয়ে আজ হতে চলেছে বৈঠক। আর সেই কথা মত বুধবার নবান্নের সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বসল বৈঠক। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের জন্য তিনি সোনার ঝাড়ু উপহার দেবেন। সেই সোনার ঝাড়ুর জন্য ৫লক্ষ টাকা বরাদ্দ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদঘাটন হবে। যদিও আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন অক্ষয় তৃতীয়ার দিন জনসাধারণদের জন্য খুলবে দিঘার দ্বার। আর সেই সমস্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন মমতা (Mamata Banerjee)।

প্রশাসনিক বৈঠক থেকে আজ মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, দিঘার দান-ধ্যান প্রক্রিয়া কবে থেকে শুরু হবে। তারপরেই তিনি বলেন, ‘দান-ধ্যানের প্রক্রিয়া শুরু হলেই আমাকে জানাবেন, সবার প্রথম আমি দান করব জগন্নাথ দেবের জন্য। সোনার ঝাড়ু। এজন্য পাঁচ লাখ এক টাকার চেকও রেডি রাখা আছে।’

আরও পড়ুন: অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি হিন্দুরা দান করেছে, হিন্দুরাও বসবাস করে: ইমামদের সভাতে বিরাট মন্তব্য মমতার

তিনি জানান, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে দিঘায় জগন্নাথ মন্দির গড়ে তোলা হচ্ছে। তাই সেখানে যেমন সোনার ঝাড়ু রয়েছে, দিঘার জগন্নাথ মন্দিরেও থাকবে সোনার ঝাড়ু।

উল্লেখ্য, জগন্নাথ মন্দির দ্বারোদঘাটনের দিন বহু সংখ্যক মানুষ দিঘায় ভিড় করবে। তাই কোনরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে রেলওয়ে স্টেশনে ঘটে তার দিকেও কড়া নজর রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, গোটা দিঘাজুড়ে বসানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। সুরক্ষার কথাকে প্রধান্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কালীঘাট থেকে দিঘা সিসিটিভি দিয়ে ঘিরে দাও’।

৩০ এপ্রিল উদ্বোধন হবে দিঘার জগন্নাথ মন্দির। আর তার আগের দিন থেকে শুরু হবে হোম-যজ্ঞ। কড়া নজরদারী চলবে গোটা দিঘা জুড়ে। কেউ যদি সম্পত্তি নষ্ট করে বা নষ্ট করার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নষ্ট করার চেষ্টায় যাদের নাম জোড়াবে তাদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে আজ বৈঠক থেকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ এই প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা পাশাপাশি, ইসকন, ভারত সেবাশ্রমের প্রতিনিধিরা। ছিলেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইত রাজেশ দ্বৈতপতিও। বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী কোন দফতরের কী দায়িত্ব তা ভাগ করে দেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, গঙ্গাসাগর মেলার ধাঁচে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনে কড়া পুলিশি নজরদারী বজায় রাখতে হবে। সরকারী সংস্থার পাশাপাশি বেসরকারি সিকিউরিটি সংস্থার সহযোগিতাও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

দেখুন অন্য খবর

Read More

Latest News