ওয়েব ডেস্ক: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার উদ্বোধনে ভোটমুখী বঙ্গকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার মালদহ থেকে হাওড়া-কামাখ্যা ট্রেনের সূচনা করে দিলেন তিনি। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে বেশ কড়া বার্তা দিলেন মোদি। ‘পাল্টানো দরকার…’ আগামী ভোটের নির্বাচনী স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি। নাম না করে বেলডাঙার (Beldanga) বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি তৃণমূলকেই দায়ী করলেন। বেলডাঙা পরিস্থিতির সঙ্গে এদিন একই সারিতে মোদি বসালেন অনুপ্রবেশ ইস্যুকে। অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গে সরব হয়ে বললেন, “বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেও অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের বের করে দেওয়া জরুরি। এক এক করে বের করে দেওয়া উচিত।
বেলডাঙায় মহিলা সাংবাদিককে নিগ্রহের প্রসঙ্গে তুলে মোদি বললেন, একজন মহিলা সাংবাদিককে এভাবে মারা হল! তৃণমূলের গুন্ডারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতি বিজেপি ছাড়া আর কে বদল করবে? তাঁর কথায়, মালদহ-মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীরা দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। মহিলা সাংবাদিকের উপর হামলা করা হয়েছে। তৃণমূলের এই অত্যাচার শেষ হবে একদিন, পতন ঘটবে। বাংলায় বিজেপি সরকার এলে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।
আরও পড়ুন: ‘পাল্টানো দরকার…’ বাংলায় ভোটের আগে স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মোদির অভিযোগ, বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অনুপ্রবেশ। বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা অসম্ভব।তাই বিজেপি সরকার গঠিত হলেই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘এই সরকার সাধারণ মানুষের জমির রক্ষা করে না। বরং তৃণমূলের নেতা এবং সিন্ডিকেট অনুপ্রবেশকারীদের পোর্টার বানিয়ে একটি চক্র চালাচ্ছে।’ অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয়দের কর্মক্ষেত্রে থাবা বসাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই অনুপ্রবেশকারীরাই মা-বোনেদের হেনস্থা করছে এবং একের পর এক অপরাধ ঘটাচ্ছে।দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। বলেন, এর প্রভাব শুধু সমাজে সীমাবদ্ধ নেই, জাতীয় নিরাপত্তাও এর ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে। মালদা ও মুর্শিদাবাদে দাঙ্গার পরিবেশ তৈরি হওয়ার পিছনেও অনুপ্রবেশ একটি বড় কারণ বলে দাবি করেন। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’







