নয়াদিল্লি: ১ এপ্রিল থেকে চালু হতে চলেছে নতুন আয়কর আইন (Income Tax)। বাজেট (Union Budget 2026-27) পেশের সময় জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। নতুন আয়কর আইনে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে। অডিট হয়নি এমন ব্যবসায়িক মামলা বা ট্রাস্টের ক্ষেত্রে ৩১ অগস্ট পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করার সুযোগ। কর পরিকাঠামো আরও সহজ করতে একাধিক ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর। লগ্নিতে আগ্রহ বাড়াতে করদাতাদের জন্য ১৫জি আবং ১৫ এইচ নিয়ে বড় ঘোষণা। একাধিক সংস্থায় যাঁরা লগ্নি করেছেন তাঁরা সরাসরি সংস্থ থেকে সংসাপত্র নিতে পারবেন।
আয়করের স্তরে কোনও রকম বদল এই বাজেটে ঘোষণা করা হল না। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, নতুন আয়কর আইন ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় ২ শতাংশ টিসিএস কমানো হচ্ছে। কর জমা দেওয়ার তারিখ বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করার প্রস্তাব দেন নির্মলা। তিনি স্পষ্ট করে জানালেন, বর্তমানে আয়কর হারে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। নামমাত্র ফি দিয়ে আয়কর রিটার্ন সংশোধনের সময়সীমা বাড়ানো হবে। ITR-1 ও ITR-2 ফর্মে রিটার্ন দাখিলকারীরা আগের মতোই ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। যেসব ব্যবসা বা ট্রাস্টের অডিট প্রয়োজন নেই, তারা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাবেন। নতুন আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলি ও আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্ম তাড়াতাড়ি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে।
আরও পড়ুন: বাজেটে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ১০ হাজার কোটির বরাদ্দ নির্মলার
অর্থমন্ত্রী আরও ঘোষণা, পথদুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ট্রাইবুনাল (Motor Accident Claims Tribunal) কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনও সুদের অর্থ আয়কর ও টিডিএস,উভয় থেকেই সম্পূর্ণ অব্যাহতি পাবে। এই সিদ্ধান্তে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবার আর্থিক স্বস্তি পাবেন। এছাড়াও প্রবাসী ভারতীয়দের ক্ষেত্রে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির সময় টিডিএস (TDS) কাটার নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এছাড়াও জানান, ১৬তম ফিনান্স কমিশনের প্রস্তাবে মান্যতা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় বাজেটে। মোট আয়ের ৪১ শতাংশ ফিরিয়ে দেওয়া হবে রাজ্যগুলিকেই। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রাজ্যগুলির জন্য বরাদ্দ ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা।অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এই বরাদ্দের মাধ্যমে রাজ্যগুলির আর্থিক ক্ষমতা আরও মজবুত হবে এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসবে। কেন্দ্র-রাজ্য আর্থিক সম্পর্ককে আরও স্থিতিশীল ও স্বচ্ছ করার দিকেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে অর্থ মন্ত্রক।






