কলকাতা: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) সামনে রেখে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সব রাজনৈতিক দল। ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির ঝুলি খুলে বসেছেন নেতারা। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে জনকল্যাণ, সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে আশ্বাসের বন্যা। এরই মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের ডিএ-বঞ্চনার ক্ষতে প্রলেপ দিতে বড় ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)। পদ্মশিবিরের দাবি, তারা ক্ষমতায় এলে মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই কার্যকর করবে সপ্তম পে কমিশন। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শুধু এই প্রতিশ্রুতিতে ভোট বৈতরণী পার হওয়া সহজ নয়।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দশ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠিত হয়। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। ফলে নিয়মমাফিক ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। রাজ্য বাজেটেও পে কমিশনের উল্লেখ রয়েছে, তবে তা কবে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের অষ্টম পে কমিশনের কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই রাজ্যের নতুন কমিশন তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: ভবানীপুরে ৪৭ হাজার নাম বাদ, কমিশনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ কটাক্ষ মমতার
সবচেয়ে বেশি জল্পনা ঘিরে রয়েছে ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ নিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি যদি ২.৯১ থেকে ৩.১৫-এর মধ্যে নির্ধারিত হয়, তবে বর্তমানে যাঁদের বেসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা, তা বেড়ে হতে পারে ৫২ হাজার থেকে ৫৬ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, সপ্তম পে কমিশন কার্যকর হলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। আর ঠিক এই ইস্যুকেই ভোটের আগে হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি।







