ওয়েব ডেস্ক : কৃষ্ণনগর উত্তরের সাংসদ মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই রায়ের উপর এবার স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ছেলে শুভ্রাংশু রায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এমন রায় দিয়েছেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। সঙ্গে মামলায় সব পক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে এই নোটিসের উত্তর দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। ৬ সপ্তাহ পর হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
সাল ২০১৭। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। গেরুয়া শিবিরের হয়ে ভালো কাজ করার জন্য তাঁকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতিও করা হয়েছিল। কিন্তু পরে বিজেপি ছেড়ে আবার ঘাসফুলে ফিরে আসেন মুকুল। এর পরেই তাঁর বিধায়কপদ খারিজের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়। তার পরেই ২০২৫ সালের নভেম্বরে বিরোধী আইন অনুযায়ী কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের পদ খারিজ করেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও খবর : BJP নাকি ঠাকরে ব্রাদার্স, কার হাতে যাবে মুম্বই পুরসভা? দেখুন বিগ আপডেট
কিন্তু হাইকোর্টের এমন রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভ্রাংশু রায়। শুক্রবার হয় এই মামলার শুনানি। এ নিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, বর্তমানে অসুস্থ মুকুল রায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এর পরেই কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। এ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়-সহ সব পক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সেই নোটিসের জবাব দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, একুশের নির্বাচনের পরপরই তৃণমূলে ফিরে এসেছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু তাঁর বিধায়কপদ খারিজের জন্য স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। কৃষ্ণনগর উত্তরের সাংসদের বিধায়ক পদ কারিজ করেননি স্পিকার। তার পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল গেরুয়া শিবির।
দেখুন অন্য খবর :







