ওয়েবডেস্ক- বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election 2026) আবহেই আজ পবিত্র ঈদ (Eid) । প্রতি বছরের মতো এবারেও অভিষককে পাশে নিয়ে ইদের মঞ্চে উপস্থিত থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একদিকে এসআইআর, অপরদিকে প্রায় ৬০ মানুষের নাম এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় বাদ এই নিয়ে তীব্র হুঙ্কার দিয়ে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ।
এদিনের ইদের মঞ্চ থেকে একদিকে যেমন সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরদিকে একযোগে বিজেপি ও কমিশনকে ম্যারাথন আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর। এসআইআর (SIR) থেকে অনুপ্রবেশকারী একাধিক অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, যারা পশ্চিমবঙ্গকে টার্গেট করবে তারা জাহান্নমে যাবে।
ঈদের মঞ্চ থেকেই বিজেপি-বিরোধিতার সুর বেঁধে দিলেন তিনি। সরাসরি নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা। তাঁকে ‘সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী’ বলে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই রেশ ধরেই ‘বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগান দিয়ে নির্বাচনের সুর বেঁধে দিলেন তিনি।
শনিবার রেড রোডে ঈদের উদযাপনের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অধিকার মোদীজিকে ছিনিয়ে নিতে দেব না। আপনি সৌদি আরবে গিয়ে হাত মেলান। মিলিয়ে আসুন। আমি সব দেশকে পছন্দ করি। আমি আমার ভারতকে নিয়ে গর্বিত। আমি বিশ্বকে নিয়ে গর্বিত।
শান্তির জন্য এই বার্তা গোটা দুনিয়ার কাছে ছড়িয়ে পড়ুক। সৌদি আরব গিতে হাত্ মেলান, দুবাইতেও হাত মিলিয়েছেন। দেশে এলেই নাম কাটার কথা মনে পড়ে। বিজেপিকে চোর, গুণ্ডারদের পার্টি বলেও আক্রমণ করে বলে, বাংলাকে যে টার্গেট করবে, সে জাহাম্মামে যাবে, আমাদের একটাই টার্গেট বিজেপি হটাও, দেশ বাঁচাও। আপনি যখন ওদের সঙ্গে গিয়ে হাত মেলান তখন আপনার কোনও যায় আসে না, ওরা হিন্দু নাকি মুসলিম? আর ভারতে এসে আপনি ভুলে যান। আপনি বলেন, এর নাম কেটে দাও, এরা অনুপ্রবেশকারী। আমি তো বলব, আপনি সব থেকে বড় অনুপ্রবেশকারী’।
আরও পড়ুন- রেড রোড থেকে বড় বার্তা মমতার
রাজ্যবাসীকে মমতার আশ্বাস আমি একজন পরিবারে মতো দাঁড়িয়ে আছি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটার তালিকায় এসআইআর-এর ছলে বাংলার মানুষের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। আর সেই কারণে তিনি কলকাতা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তিনি ধর্ম-বর্ণের মানুষের পাশে একজন সদস্য হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন বলে আশ্বাস দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই কথার রেশ ধরে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেওয়া হয়েছে।







