HomeScrollএবার ক্রিকেট স্টেডিয়াম এই তৃণমূল নেতার নামে, টাকার উৎস কী?
Birbhum

এবার ক্রিকেট স্টেডিয়াম এই তৃণমূল নেতার নামে, টাকার উৎস কী?

না কোনও সরকারই ক্রিকেট স্টেডিয়াম নয়! ব্যক্তিগত মালিকানা তৃণমূল নেতার

বীরভূম: না কোনও সরকারই ক্রিকেট স্টেডিয়াম নয়! এটি ব্যক্তিগত মালিকানা তৃণমূল নেতা মহিম শেখের ক্রিকেট স্টেডিয়াম। খরচ হয়েছে কোটি কোটি টাকা। মাঠজুড়ে ছড়ানো দামী সবুজ ঘাস। রয়েছে সুইমিং পুল। ঝাঁ চকচকে জিম। একটি ভাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যে রকম সুযোগসুবিধা থাকতে পারে খেলোয়াড়দের সুবিধার্থে তা সবই রয়েছে বীরভূম (Birbhum) সদাইপুর থানার অন্তর্গত গুমসুমা গ্রামে বিশালাকার এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (Cricket Stadium TMC Leader Birbhum)। বীরভূমের সদাইপুরে এমজিআর ক্রিকেট স্টেডিয়াম। কিন্তু টাকার উৎস কি? কোথায় থেকে যোগান দিয়েছে টাকা ? প্রশ্ন তুলছে বিজেপি নেতারা।

মহিম শেখ, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। একসময় মেকানিকের কাজ করতো। সেখান থেকে ফুলে ফেঁপে ঢাক।বীরভূম সদাইপুর থানার অন্তর্গত গুমসুমা গ্রামে রয়েছে একটি বিশাল আকৃতি ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়াম বানিয়েছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে মহিম শেখ নামে এক তৃণমূল নেতা। যিনি নিজেকে ক্রিকেটপ্রেমী বলে দাবি করছেন। তার এই উদ্যোগ ভালো হলেও উদ্যোগের পেছনে যে কোটি কোটি টাকা প্রয়োজন হয়েছে স্টেডিয়ামকে বাস্তবায়ন করার জন্য সেই টাকার সোর্স কি। এই প্রশ্ন তুলছেন বীরভূম বিজেপি নেতারা। উল্লেখ্য, এই মহিম শেখ হলেও পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তৃণমূল নেতা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একসময় মোটরসাইকেলের গ্যারেজে কাজ করতেন এই মহিম। তৃণমূলের সরকার আসার পর থেকেই আস্তে আস্তে সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে এই মহিম শেখের। একেবারে গড়ে তুলেছেন এই স্টেডিয়াম। যে স্টেডিয়ামে রয়েছে সুইমিংপুল থেকে শুরু করে ক্লাব হাউস জিম থাকার সমস্ত রকম ব্যবস্থা।

বীরভূম জেলায় কান পাতলেই শোনা যায় এই মহিম শেখ তৃণমূলের আমলে একসময়ের প্রখ্যাত কয়লা ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন। সময়ই কয়লার প্যাড চালাতো সে সেখান থেকেই বিপুল কালো টাকা উপার্জন করেন। এখন অবশ্য তিনি ব্যবসাদার, কন্টেকটারির কাছ থেকে শুরু করে বিভিন্ন টোল ট্যাক্সের মালিকানা রয়েছে এই মহিম শেখের।কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একজন মোটরসাইকেল মেকানিক থেকে হঠাৎ করেই এত উত্থান তৃণমূলের আমলে হল কিভাবে? কয়েক কোটি কোটি টাকা খরচা করে স্টেডিয়াম করার অর্থ উনার কাছে এলোই বা বাকি ভাবে।মহিম বলেন, “ছোট থেকেই আমি ক্রিকেট খেলি, কিন্তু কোনও ভাল সুযোগ পাইনি। ১৯৯৬ সাল থেকে গ্রামে আমি ক্রিকেট খেলা শুরু করি। ২০০৯ সালে এটি মাঠের রূপ নেয়। ধীরে ধীরে নানা ক্লাব খেলতে আসে। ২০১৪ সালে এটি স্টেডিয়ামের আকার নেয়। সিএবি বা জেলার নানা দল এখানে খেলতে আসে। বাইরের দল খেলতে আসলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। সুইমিং পুল, জিম খেলারই অঙ্গ। সিনিয়র খেলোয়াড়রা খেলতে আসলে এগুলি লাগবেই। নানা সময় নানা সংস্থা সাহায্য করেছে। সিএবি সাহায্য করেছে।”

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News