ওয়েব ডেস্ক : ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি। বাড়ছে দ্বারকেশ্বর নদীর (Dwarkeswar River) জলস্তর। একইসঙ্গে জল বাড়ছে রূপনারায়ণ নদীতেও। ডিভিসির ছাড়া জল দামোদরের শাখা নদী মুণ্ডেশ্বরী হয়ে খানাকুলে ঢুকতে শুরু করায় বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে শুরু হয়েছে মাইকিং।
জলস্তর বাড়তে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে আরামবাগ, খানাকুল ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। নিচু এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরে যাওয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অপেক্ষাকৃত উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।
আরও খবর : ৫০ হাজার টাকার ঘুষ! টাকা নিতে গিয়েই দুর্নীতি দমন শাখার জালে হাওড়ার পুলিশ কনস্টেবল
আরামবাগ শহরের সতীতলা ও বাঁধপাড়ার মতো নিচু এলাকাতেও বাঁধের উপর ত্রিপলের ছাউনি তৈরি করে আশ্রয় নিচ্ছেন বাসিন্দারা। পর্যাপ্ত নৌকো না থাকায় কয়েকটি ড্রাম একসঙ্গে বেঁধে তার উপর বাঁশের কাঠামো তৈরি করে ভাসমান নৌকা বানিয়ে নিয়েছেন স্থানীয়রা। উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রান্নার সামগ্রী, কাঠের উনুন-সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও।
পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। নদীবাঁধ ও জলস্তরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সকাল থেকেই নদীপথে পরিদর্শনে বেরিয়েছেন আরামবাগ মহকুমার জনপ্রতিনিধিরা। খানাকুল, আরামবাগ ও পুরশুড়া এলাকার একাধিক বাঁধও পরিদর্শন করা হয়েছে। জলস্তর আরও বাড়লে নিচু এলাকার পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।







